মরিশাসের শ্রমবাজার খুললে কতটা লাভবান হবে বাংলাদেশ
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও বাংলাদেশিদের জন্য খুলতে যাচ্ছে মরিশাসের শ্রমবাজার। জনশক্তি রপ্তানির লক্ষ্যে দ্রুত একটি সমঝোতা স্মারক বা এমওইউ স্বাক্ষরের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মরিশাস সরকার।সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উতিমের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।বৈঠকে মরিশাসে বাংলাদেশি শ্রমিকদের বর্তমান অবস্থা, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শ্রমবাজার পুনরায় চালু এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দুই দেশ দ্রুত একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্যে পৌঁছায়।বৈঠকের শুরুতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন মন্ত্রী আরিফুল হক আরো পড়ুন , ২০২৭ থেকে স্কুলে নতুন ৪ বাধ্যতামূলক বিষয়, আসছে নতুন শিক্ষাক্রমচৌধুরী। তিনি মরিশাস সরকারকে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ শুধু টেক্সটাইল খাত নয়— ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স, অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ বিভিন্ন পেশার দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে প্রস্তুত।বাংলাদেশের এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে দেশটির ওয়ান-স্টপ টেক্সটাইল শিল্পের জন্য প্রচুর দক্ষ কর্মী প্রয়োজন। তাই বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিতে মরিশাস সরকার আগ্রহী।তিনি আরও জানান, শ্রমবাজার পুনরায় চালুর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারকের খসড়া দ্রুত বাংলাদেশ সরকারের কাছে পাঠানো হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগের আগ্রহও প্রকাশ করেছে মরিশাস সরকার।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে নতুন শ্রমবাজার চালু হলে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়বে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।