জ্বালানি ঘাটতিতে বিপর্যস্ত এশিয়া, বাড়ছে মূল্যস্ফীতি
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাব এখন বিশ্ব অর্থনীতির পাশাপাশি এশিয়ার দেশগুলোর জ্বালানি ও খাদ্য ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। তেল ও গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের কারণে বিভিন্ন দেশে মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি সংকট বাড়ছে।প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতসহ একাধিক দেশ নাগরিকদের ব্যয় কমানোর আহ্বান জানিয়েছে। থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইন জ্বালানি নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নিলেও সরবরাহ ঘাটতির ঝুঁকি রয়ে গেছে।আরও পড়ুন, ওমানে গাড়ির ভেতরে একসঙ্গে মৃত্যু ৪ বাংলাদেশি ভাইয়ের, এখনো জানেন না মাইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশের জ্বালানি মজুতও সীমিত সময়ের জন্য যথেষ্ট বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। অন্যদিকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। কৃষি খাতে সার ও ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।আর্রও পড়ুন, যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন সংকটশিল্প খাতেও এর প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে উৎপাদন ব্যয় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে শিল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।আরও পড়ুন, সময়সূচি ঘোষণা করে পদত্যাগ করতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীবিশ্লেষকদের মতে, এই সংকট দীর্ঘ হলে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে এবং মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। তবে সংকট মোকাবিলায় কিছু দেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার দিকে ঝুঁকছে, যা ভবিষ্যতে একটি নতুন জ্বালানি কাঠামোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।