দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

দক্ষতা উন্নয়নে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন অংশীদারিত্ব

শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।চীনের চিয়াংশি সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নরমাল ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা বিনিময় সম্মেলনে এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ‘চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন, ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’-এর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া এবং চীনের পক্ষে চিয়াংশি সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নরমাল ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ঝেং পেংউ এতে স্বাক্ষর করেন।আরও পড়ুন.সেনাবাহিনীর মুষ্টিযুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন ২৪ পদাতিক ডিভিশন, রানার আপ ৬৬ পদাতিকমাহ্দী আমিন বলেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশ-চীন কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। শুধু সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর নয়, এর বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান ও নতুন সুযোগ তৈরি করাই মূল লক্ষ্য।সমঝোতার আওতায় বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, দ্বিভাষিক শিক্ষা উপকরণ, গবেষণা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা-শিল্প সংযোগ এবং বাংলাদেশে শিল্প প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়াতে সহযোগিতা করবে দুই দেশ।একই সঙ্গে চীনা বিনিয়োগে পরিচালিত বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।সম্মেলনে তিনটি বড় সহযোগিতা প্ল্যাটফর্মের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল টিচার ট্রেনিং সেন্টার, বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন রিসার্চ সেন্টার এবং বাংলাদেশ ‘চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ প্লাস স্কিল ডেভেলপমেন্ট’ কোঅপারেশন সেন্টার।শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, আধুনিক ও শিল্প-সংযুক্ত বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহী বাংলাদেশ।শিক্ষা, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থানকে একই ধারায় যুক্ত করে তরুণদের ভবিষ্যৎমুখী দক্ষতা গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

 দক্ষতা উন্নয়নে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন অংশীদারিত্ব