বন্যায় মানুষ আক্রান্ত, দুর্ভোগের অন্ত নেই , উদ্বাস্তুের সংখ্যা বেড়েছে
চারবিভাগের মানুষ বন্যায় আক্রান্ত হওয়াতে দুর্ভোগের অন্ত নেই। উদ্বাস্তের পরিমাণ আরো বাড়তে পারে বলে ধাবনা করা হয়েছে । এবারের বন্যায় চার বিভাগে কি পরিমাণ মানুষে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাহা এখনো নিরুপণ করা যায়নি। বানের পানি কিছুটা কমলেও তবে লাখ লাখ মানুষে বন্যার কবলে পড়ে আক্রান্তের শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে । এখনো রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি বিভিন্ন স্থাপনা, স্কুল কলরজ, মাদ্রাসাসহ অসংখ্য সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বানেরপানির নিচে রয়েছে। পানি সহজে সরতে না পারায় অধিকাংশ স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। দেশের বিভিন্ন নদনদীগুলোতে পানি বেড়েছে।বড় বড় নদীর পানি বিপদসীমাছুঁয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার পর জেলা, উপজেলার পর উপজেলা, গ্রামের পর গ্রাম বানের পানিতে তলিয়ে গেছে। অধিকাংশ এলাকার রাস্তাঘাট লন্ডভন্ড হয়ে চলাচলে ক্ষেত্রে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়েছে শহরের সদরের সাথে। বন্যাকবলতি এলাকার মানুষের জীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্তের পরিমান হিসাবে বরাদ্দের পরিমাণ অপ্রতুল্য বলে জানা গেছে। তবে শুধু শুকানা খবার,বিতরন করা হচ্ছে, ওষুধ নেই। দ্রুতগামী খবার পানি, ওষুধ বিতরন করা জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।আরও পড়ুন, লামায় বন্যার্ত মানুষের পাশে প্রশাসনের সঙ্গে জাগ্রত যুব সংঘএদিকে দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার ৬৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে । ২০০ মেট্রিক টন চাল, ১০ লাখ টাকা এবং প্রায় দেড় হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট মজুদ রাখা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আজাদের রহমান জানান, জেলার প্রায় ৯৬ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ দিকে বেসরকারি হিসাবে আরো দ্বিগণ হবে বলে ধারণা করা হয়েছে। ইতমধ্যে চলমান দুর্যোগে ১৩ জন রোহিঙ্গাসহ মোট ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত স্থানীয় চার পরিবারের জন্য এক লাখ টাকা, আহত দুই পরিবারের জন্য ৩০ হাজার টাকা এবং ৫৫৫ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়। জেলা প্রশাসক মো. আঃ মান্নান বলেন, বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রাখা হলেও প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ত্রাণ বরাদ্দের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। এ মানুষের দুর্গতি দুর্ভোগের কোন শেষনেই। পানি, খাবার, ওষুধ, চিকিৎসা নেই। পানি বন্দী লাখ লাখ মানুষ। বানের পানিতে ঘরবাড়ি স্থাপনা ভাসছে।