মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে ইরান-এর সর্বোচ্চ নেতার সাম্প্রতিক ঘোষণা।মোজতবা খামেনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ‘জাতীয় সম্পদ’, এ বিষয়ে কোনও আপস করা হবে না।রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক লিখিত বক্তব্যে তিনি এই অবস্থান তুলে ধরেন। এমন সময় এই ঘোষণা এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল-এর সঙ্গে উত্তেজনা তুঙ্গে।খামেনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘লজ্জাজনক পরাজয়’ বরণ করেছে। তিনি বলেন, ইরানের আরো পড়ুন , ডলারের বিপরীতে রিয়াল ১৮ লাখে, ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতির শঙ্কা ইরানেজনগণ দেশের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে দেখে—যার মধ্যে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি অন্যতম।তার ভাষায়, এসব সম্পদ দেশের পানি, ভূমি ও আকাশসীমার মতোই রক্ষা করা হবে।একই সঙ্গে পারস্য উপসাগর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তাও দেন ইরানের এই নেতা। তিনি বলেন, পারস্য উপসাগর অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও স্থান নেই, বরং তাদের অবস্থান হওয়া উচিত ‘পানির তলদেশে’—এমন মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।খামেনি আরও বলেন, পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর সংলগ্ন দেশগুলোর একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ রয়েছে এবং বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপ এখানে অগ্রহণযোগ্য।সব মিলিয়ে, ইরানের এই কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।