এনসিপি আরও শক্তিশালী ও কার্যকর কৌশল নিয়ে সামনে এগোচ্ছে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আরও শক্তি নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে দলটি শীর্ষ নেতা ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৩০ প্রার্থীকে নিয়ে বৈঠক করেছে। দলের নির্বাচন-পরবর্তী করণীয়, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং পদত্যাগ করা নেতাদের দলে ফিরিয়ে আনাসহ নানা বিষয়ে একাধিক বৈঠক করতে যাচ্ছে এনসিপি। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বিশেষ বৈঠকে বসছে দলটি। ওই বৈঠকে সাংগঠনিক আলোচনাসহ বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং আগামীতে কী কী করণীয়-এমন একটি রূপরেখা উঠে আসবে।এ প্রসঙ্গে শনিবার সন্ধ্যায় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন যুগান্তরকে বলেন, এনসিপি থেকে আমরা ৬ জন সংসদ-সদস্য পেয়েছি। এটা আমাদের শক্তি-সাহস। আমাদের দলকে আরও শক্তিশালী করা এবং সাংগঠনিকভাবে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা বৈঠকে বসতে শুরু করেছি। নির্বাচনি ব্যস্ততার পর শুক্রবার সাধারণ সভায় দলের অনেকের সরাসরি সাক্ষাৎ হলো। নির্বাচন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে কী কী করণীয় এ বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।আরো পড়ুন , ভোরে জামায়াত আমিরের ফেসবুক স্ট্যাটাস ভাইরাল নেটদুনিয়ায় তোলপাড়মনিরা শারমিন আরও বলেন, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি আমরা আবারও গুরুত্বপূর্ণ সভা ডেকেছি। ওই সভায় আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে। নির্বাচন-পরবর্তী পর্যালোচনা ও আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে সভায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। আমরা সিদ্ধান্ত নেব, আগামীতে কী কী করব, কী কী করা উচিত। তিনি বলেন, আমাদের প্রার্থীরা খুব কম সময়ে মাঠপর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। মাঠপর্যায়ে গণ-সংযোগ করাসহ নির্বাচনে বিপুল পরিমাণ ভোট নিয়ে আসতে পেরেছেন। জয়-পরাজয় তো আছেই। এনসিপির নেতাকর্মীরা প্রথমবার নির্বাচন করে খুবই ভালো করেছেন। শুক্রবার বিজয়ী ও সব প্রার্থীদের আমরা একটা সংবর্ধনা দিয়েছি, ওখানে সবাই এসেছিল। সবাইকে সম্মানিত করা হয়েছে, ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।দল থেকে যারা চলে গেছেন তাদের ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে মনিরা শারমিন বলেন, যারা চলে গেছেন, তাদের কারও পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়নি। আমরা একসঙ্গে আন্দোলন করেছি, একসঙ্গে হেঁটেছি-সংগ্রাম করেছি। আমাদের ২৬ ফেব্রুয়ারি সাধারণ সভায় এ বিষয়গুলো উঠে আসবে। আমাদের দরজা খোলা, যারা চলে গেছেন-তাদের কী করে ফিরিয়ে আনা যায় এবং আগামী দিনে দল আরও শক্তিশালী কীভাবে করা যায়, এ বিষয়ে আলোচনা হবে। সভায় পুরো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। আলোচনায় তৃণমূলে দলের সাংগঠনিক দুর্বলতার বিষয়টিও উঠে আসবে। মূলত আমরা এখন সংগঠনে জোর দিতে চাচ্ছি।