দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

‘আয়নাবাজি’ নাবিলার ক্যারিয়ার বদলে দেওয়ার ১০ বছর

একটি খুদে বার্তা। আর সেই বার্তাই বদলে দিয়েছিল অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলার ক্যারিয়ার।সময়টা ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল। নাবিলার জন্মদিন। সেদিন কাতারে ছিলেন তিনি। পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের ছেড়ে দূরদেশে জন্মদিন কাটছিল তাঁর। মনও ছিল ভীষণ খারাপ।এর মধ্যেই মোবাইলে আসে পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরীর একটি বার্তা। সেখানে লেখা ছিল, ‘জন্মদিনে তোমাকে বেশি কিছু দিতে পারছি না। তবে তোমাকে হৃদি চরিত্রটি দিচ্ছি। তুমি কি এটা গ্রহণ করবে?’বার্তাটি ছিল ‘আয়নাবাজি’ সিনেমায় হৃদি চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব। জন্মদিনের সেই সারপ্রাইজ মুহূর্তেই বদলে দেয় নাবিলার মন। সিনেমায় অভিনয় নিয়ে তখনও তাঁর মধ্যে ছিল দোটানা। কিন্তু অমিতাভ রেজার প্রস্তাব আর ফিরিয়ে দিতে পারেননি। সঙ্গে সঙ্গেই রাজি হয়ে যান।নাবিলা জানান, প্রস্তাব পেয়ে তিনি ভীষণ আনন্দিত হলেও একই সঙ্গে প্রচণ্ড নার্ভাস হয়ে পড়েছিলেন। আড়ও পড়ুন,দুর্ঘটনায় আহত নুসরাতএরপর শুরু হয় ‘আয়নাবাজি’র শুটিং। এটি ছিল পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরীর প্রথম সিনেমা।২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মুক্তি পায় ‘আয়নাবাজি’। প্রথম শো দেখতে বসুন্ধরায় গিয়ে হাউসফুল দর্শক দেখে চমকে উঠেছিলেন নাবিলা। পরে সিনেমাটি দীর্ঘ সময় প্রেক্ষাগৃহে চলে এবং দর্শকের ভালোবাসায় নাবিলা পরিচিত হয়ে ওঠেন ‘আয়নাবাজি নাবিলা’ নামে।সিনেমাটির মুক্তির ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সম্প্রতি প্রথমবারের মতো লাইভে এসে সেই স্মৃতিচারণ করেন তিনি।নাবিলার ভাষায়, ‘আয়নাবাজি’ শুধু তাঁর ক্যারিয়ারই বদলে দেয়নি বরং জীবনকে দেখার দর্শনও বদলে দিয়েছে। নিজের প্রতি তৈরি করেছে আলাদা ভালোবাসা।অভিনেত্রী বলেন, সিনেমাটির মাধ্যমে পাওয়া দর্শকের ভালোবাসা তিনি কখনো ভুলবেন না। একই সঙ্গে তাঁকে আবিষ্কার করার জন্য পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরীকেও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

‘আয়নাবাজি’ নাবিলার ক্যারিয়ার বদলে দেওয়ার ১০ বছর