দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আইএমএফের পূর্বাভাস: ২০৩০ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি ৬৭৭ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে বড় আশার পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল—আইএমএফ।সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের নামমাত্র মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির আকার দাঁড়াতে পারে ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে। এ সময়ে অর্থনীতির আকারে মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলোকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ।আইএমএফের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’-এর তথ্যের ভিত্তিতে কানাডার সংবাদমাধ্যম ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতির আকার ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। আর এই প্রবৃদ্ধির বড় অংশ আসবে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতিগুলো থেকে।তখনও বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সম্ভাব্য জিডিপি দাঁড়াতে পারে ৩৭ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে চীন—২৬ ট্রিলিয়ন ডলার নিয়ে।আরও  পড়ুন, সোনার দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৭ হাজার ১১৫ টাকাতৃতীয় অবস্থানে জার্মানির সম্ভাব্য অর্থনীতি ৬ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার। তবে খুব কাছেই থাকবে ভারত। ২০৩০ সালে ভারতের জিডিপি হতে পারে ৬ দশমিক ১৭৩ ট্রিলিয়ন ডলার।এশিয়ায় চীন ও ভারতের পর তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হতে পারে জাপান। দেশটির জিডিপি পৌঁছাতে পারে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে।আইএমএফের পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, ২০৩০ সালে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সম্মিলিত অর্থনৈতিক উৎপাদন দাঁড়াতে পারে ৫৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে, যা হবে বৈশ্বিক অর্থনীতির এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি।অর্থাৎ, আগামী কয়েক বছরে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে এশিয়ার ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে—যেখানে বাংলাদেশের অর্থনীতিও উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে পারে।

আইএমএফের পূর্বাভাস: ২০৩০ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি ৬৭৭ বিলিয়ন ডলার