দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

তেলের কৃত্রিম সংকটের পেছনে কারা? সংসদে মন্ত্রীর বিস্ফোরক অভিযোগ

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই, তবে অসাধু ব্যবসায়ীদের মজুদ ও কালোবাজারির কারণেই কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে—এমন দাবি করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।রোববার জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল-এর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা জানান তিনি।মন্ত্রী বলেন, আতঙ্কে কেনাকাটা ও অবৈধ মজুদের প্রবণতা বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। এমনকি মোটরসাইকেলে ২০০ টাকার তেল দেওয়া বা পাম্পে রং লাগানোর বিষয়ে কোনো সরকারি নির্দেশনা নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দেশজুড়ে প্রশাসন ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন-এর তদারকি জোরদার করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৯ হাজারের বেশি অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৫১০টি মামলা দায়ের এবং এক কোটির বেশি আরো পড়ুন , দেশের গ্যাস মজুতেই ১২ বছর চলবে সংসদে জ্বালানি মন্ত্রীর আশ্বাসটাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।এছাড়া প্রায় ৫ লাখ ৪২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।এদিকে ভোক্তা পর্যায়ে স্বচ্ছতা বাড়াতে রাজধানীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে ফুয়েল কার্ড চালু করা হয়েছে, যা সফল হলে সারা দেশে চালু করা হবে।অন্যদিকে এলপিজির বাজার প্রায় পুরোপুরি আমদানি নির্ভর হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়ছে সরবরাহে। এ কারণে আমদানি পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া বিলের পরিমাণ ৫২ হাজার কোটি টাকার বেশি, যা খাতটির ওপর বড় চাপ তৈরি করছে।

তেলের কৃত্রিম সংকটের পেছনে কারা? সংসদে মন্ত্রীর বিস্ফোরক অভিযোগ