দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

বিনিয়োগ স্থবিরতায় ব্যাংকে বাড়ছে অলস অর্থ

উচ্চ সুদে বিনিয়োগে অনাগ্রহী উদ্যোক্তারা। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরাও পুঁজিবাজারে লোকসানের ভয়ে বিনিয়োগ করছেন না। উল্টো মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে আমানতে উচ্চসুদ দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। সব মিলিয়ে মানুষ বিনিয়োগ না করে নগদ টাকা হাতে ধরে রাখার চেয়ে ব্যাংকে রাখাই নিরাপদ ও লাভজনক মনে করছেন। তারই প্রতিফলন দেখা গেছে সর্বশেষ বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে।সেখানে বলা হয়েছে, মানুষ টাকা হাতে না রেখে ব্যাংকে জমা রাখার প্রবণতা বাড়ছে।২০২৫ সালের জুন মাসে ব্যাংকের বাইরে মুদ্রার পরিমাণ ছিল দুই লাখ ৯৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। তিন মাস পর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৭৪ হাজার ৭২৪ কোটি টাকায়।আরো পড়ুন , ৩১ ডিসেম্বর আয়কর রিটার্ন জমার শেষ দিন এই সময়ে ব্যাংকের বাইরে থাকা মুদ্রার পরিমাণ কমেছে ৭.৩২ শতাংশ। অর্থমূল্যে যা ২১ হাজার ৭২৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অর্থাৎ, এই বিপুল অঙ্কের নগদ অর্থ আবার ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে এসেছে।বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মূল্যস্ফীতি কমাতে মুদ্রানীতি কড়াকড়ি করায় মানুষের ভোগ ও বিনিয়োগ প্রবণতা কমে যাচ্ছে। ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় আস্থাহীনতার পাশাপাশি ব্যাংকে টাকা রাখলে বাড়তি মুনাফার আশায় নগদ টাকা ব্যাংকে ফিরছে। এতে টাকার উৎপাদনশীলতা সংকুচিত হচ্ছে। অন্যদিকে নীতিসুদহার বৃদ্ধির কারণে মানুষের ঋণ প্রবণতা কম থাকায় তারাও টাকাগুলো বিনিয়োগ করতে পারছে না। এতে তাদেরও খরচ বাড়ছে।

বিনিয়োগ স্থবিরতায় ব্যাংকে বাড়ছে অলস অর্থ