গণমাধ্যমে কাজ করতে হলে কোনো নির্দিষ্ট সাংবাদিক সংগঠন কিংবা প্রেসক্লাবের সদস্য হওয়া বাধ্যতামূলক এমন কোনো সাধারণ আইনি বিধান নেই। সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা। এ পেশায় কাজ করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ, পেশাগত যোগ্যতা, দক্ষতা, সততা ও দায়িত্বশীলতাই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিকের বাক্স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। একই সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদে আইনসাপেক্ষে সংগঠন বা সমিতি গঠন এবং এর সদস্য হওয়ার অধিকার স্বীকৃত। অন্যদিকে ৪০ অনুচ্ছেদে আইনসাপেক্ষে বৈধ পেশা ও জীবিকা গ্রহণের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রেস কাউন্সিল আইন, ১৯৭৪-এর ২ ধারায় কর্মরত সাংবাদিকের সংজ্ঞা এবং ১১ ধারায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা, সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন ও পেশাগত আচরণবিধি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। এসব আইনি বিধানে কোনো সাংবাদিক সংগঠন বা প্রেসক্লাবের সদস্যপদকে সাংবাদিকতা করার সর্বজনীন পূর্বশর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়নি। সাংবাদিক সংগঠন ও প্রেসক্লাবের গুরুত্ব অবশ্যই রয়েছে। এসব সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা, পেশাগত অধিকার রক্ষা, নিরাপত্তা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা।
আরও পড়ুন,সখীপুরে ১১ কলেজের এইচএসসি ফলাফল: জিপিএ-৫ পেলেন মাত্র ১৪ শিক্ষার্থী
সংগঠন মানে একতাবদ্ধ থাকা, একে অপরের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং পেশার মর্যাদা সমুন্নত রাখা। তবে কোনো সংগঠনের সদস্যপদ না থাকলেই একজন গণমাধ্যমকর্মীর পেশাগত পরিচয় অস্বীকার করার সুযোগ নেই। একজন সাংবাদিক কোন সংগঠনের সদস্য, সেটি তাঁর সাংগঠনিক পরিচয়; আর তিনি কোন গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছেন, সেটি তাঁর পেশাগত পরিচয়। এই দুটি বিষয় এক নয়। সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের বৈধ নিয়োগ ও দায়িত্বের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচ্য। সাংবাদিকতার স্বাধীনতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি এর সঙ্গে জড়িত দায়িত্ব ও জবাবদিহিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই, উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ, বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা এবং প্রচলিত আইন ও সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ করা প্রত্যেক গণমাধ্যমকর্মীর দায়িত্ব। সাংবাদিকতা কোনো সংগঠনের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, আবার সংগঠনবিহীন হওয়াও ঐক্যের বিরোধিতা নয়। সংগঠন সাংবাদিকদের ঐক্যের শক্তি, আর সততা, সাহসিকতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতাই একজন সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয়।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
গণমাধ্যমে কাজ করতে হলে কোনো নির্দিষ্ট সাংবাদিক সংগঠন কিংবা প্রেসক্লাবের সদস্য হওয়া বাধ্যতামূলক এমন কোনো সাধারণ আইনি বিধান নেই। সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা। এ পেশায় কাজ করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ, পেশাগত যোগ্যতা, দক্ষতা, সততা ও দায়িত্বশীলতাই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিকের বাক্স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। একই সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদে আইনসাপেক্ষে সংগঠন বা সমিতি গঠন এবং এর সদস্য হওয়ার অধিকার স্বীকৃত। অন্যদিকে ৪০ অনুচ্ছেদে আইনসাপেক্ষে বৈধ পেশা ও জীবিকা গ্রহণের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রেস কাউন্সিল আইন, ১৯৭৪-এর ২ ধারায় কর্মরত সাংবাদিকের সংজ্ঞা এবং ১১ ধারায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা, সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন ও পেশাগত আচরণবিধি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। এসব আইনি বিধানে কোনো সাংবাদিক সংগঠন বা প্রেসক্লাবের সদস্যপদকে সাংবাদিকতা করার সর্বজনীন পূর্বশর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়নি। সাংবাদিক সংগঠন ও প্রেসক্লাবের গুরুত্ব অবশ্যই রয়েছে। এসব সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা, পেশাগত অধিকার রক্ষা, নিরাপত্তা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা।
আরও পড়ুন,সখীপুরে ১১ কলেজের এইচএসসি ফলাফল: জিপিএ-৫ পেলেন মাত্র ১৪ শিক্ষার্থী
সংগঠন মানে একতাবদ্ধ থাকা, একে অপরের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং পেশার মর্যাদা সমুন্নত রাখা। তবে কোনো সংগঠনের সদস্যপদ না থাকলেই একজন গণমাধ্যমকর্মীর পেশাগত পরিচয় অস্বীকার করার সুযোগ নেই। একজন সাংবাদিক কোন সংগঠনের সদস্য, সেটি তাঁর সাংগঠনিক পরিচয়; আর তিনি কোন গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছেন, সেটি তাঁর পেশাগত পরিচয়। এই দুটি বিষয় এক নয়। সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের বৈধ নিয়োগ ও দায়িত্বের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচ্য। সাংবাদিকতার স্বাধীনতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি এর সঙ্গে জড়িত দায়িত্ব ও জবাবদিহিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই, উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ, বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা এবং প্রচলিত আইন ও সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ করা প্রত্যেক গণমাধ্যমকর্মীর দায়িত্ব। সাংবাদিকতা কোনো সংগঠনের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, আবার সংগঠনবিহীন হওয়াও ঐক্যের বিরোধিতা নয়। সংগঠন সাংবাদিকদের ঐক্যের শক্তি, আর সততা, সাহসিকতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতাই একজন সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয়।
