চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অভিযানে ৪৮৪ পিস ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার ছোটফরিংগা সীমান্ত এলাকার নয়াটিলা মাজারসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৪৩ বিজিবি রামগড় ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা গেছে, ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের নির্দেশনায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ টহল দল নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করে। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ছোটফরিংগা বিওপির সীমান্ত পিলার ২২০৩/২-আরবি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অভিযান চালানো হয়।
আরোও পড়ুন,কোস্ট গার্ডের অভিযানে হরিণের মাংস, চামড়া ও মাথা উদ্ধার
এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৪৮৪ পিস ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা শাড়িগুলো কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। বিজিবি আরও জানায়, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পণ্যের প্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের সহযোগিতা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও কাজ করছে বাহিনীটি। সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ পণ্যের প্রবেশ ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অভিযানে ৪৮৪ পিস ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার ছোটফরিংগা সীমান্ত এলাকার নয়াটিলা মাজারসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৪৩ বিজিবি রামগড় ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা গেছে, ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের নির্দেশনায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ টহল দল নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করে। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ছোটফরিংগা বিওপির সীমান্ত পিলার ২২০৩/২-আরবি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অভিযান চালানো হয়।
আরোও পড়ুন,কোস্ট গার্ডের অভিযানে হরিণের মাংস, চামড়া ও মাথা উদ্ধার
এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৪৮৪ পিস ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা শাড়িগুলো কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। বিজিবি আরও জানায়, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পণ্যের প্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের সহযোগিতা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও কাজ করছে বাহিনীটি। সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ পণ্যের প্রবেশ ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

আপনার মতামত লিখুন