চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে দাপুটে জয় পেয়েছে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। নিজেদের মাঠ মেট্রোপলিটন স্টেডিয়ামে ইংলিশ ক্লাবটিকে ২-০ গোলে হারিয়েছে দিয়েগো সিমিওনের দল। ম্যাচের শেষ দিকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার লেনি ইউরো। ফলে শেষ সময়টা ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মাইকেল ক্যারিকের দলকে।ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। খেলা শুরুর মাত্র ৪৭ সেকেন্ডের মাথায় সতীর্থের পাস থেকে গোল করেন পাবলো ব্যারিওস। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটি অ্যাতলেটিকোর দ্বিতীয় দ্রুততম গোল। শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে রক্ষণ সামলাতে হিমশিম খায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল অ্যাতলেটিকো। ২৭তম মিনিটে গ্রিমালদোর ফ্রি-কিক পোস্ট ও ক্রসবারের সংযোগস্থলে লেগে ফিরে আসে। বিরতির পরও আক্রমণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে স্বাগতিকরা। হুলিয়ান আলভারেজের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হাতছাড়া হয়।
আরও পড়ুস, লিটনের বিশ্বরেকর্ড: দুই ফিফটির সঙ্গে ৯ ডিসমিসাল
অন্যদিকে, পিছিয়ে পড়েও ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় ইউনাইটেড। ব্রুনো ফার্নান্দেজ গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠানোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। পরে তাঁর আরেকটি জোরালো শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ফলে সমতায় ফেরার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি ইংলিশ ক্লাবটি।ম্যাচের ৭৪তম মিনিটের পর বড় ধাক্কা খায় ইউনাইটেড। অ্যাতলেটিকোর আদেমোলা লুকমানকে পেছন থেকে ফাউল করায় লাল কার্ড দেখেন লেনি ইউরো। একজন কম নিয়ে খেলার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৭৯তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লুকমান। ডেভিডের শট গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বল পেয়ে সহজেই জালে পাঠান নাইজেরিয়ান এই উইঙ্গার।পরিসংখ্যানেও এগিয়ে ছিল অ্যাতলেটিকো। ম্যাচে ৫৮ শতাংশ বলের দখল রাখার পাশাপাশি গোলের লক্ষ্যে পাঁচটি শট নেয় তারা। বিপরীতে ইউনাইটেডের লক্ষ্যে ছিল চারটি শট।এই জয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে জয়ের ধারায় থাকল সিমিওনের দল। অন্যদিকে, ক্যারিকের ইউনাইটেড টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুই ম্যাচ শেষে উভয় দলের সংগ্রহ তিন পয়েন্ট। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় তালিকায় ইউনাইটেড সপ্তম এবং অ্যাতলেটিকো ১৩তম স্থানে রয়েছে।
বিষয় : ম্যানচেস্টার চ্যাম্পিয়ন্স অ্যাতলেটিকো

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে দাপুটে জয় পেয়েছে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। নিজেদের মাঠ মেট্রোপলিটন স্টেডিয়ামে ইংলিশ ক্লাবটিকে ২-০ গোলে হারিয়েছে দিয়েগো সিমিওনের দল। ম্যাচের শেষ দিকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার লেনি ইউরো। ফলে শেষ সময়টা ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মাইকেল ক্যারিকের দলকে।ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। খেলা শুরুর মাত্র ৪৭ সেকেন্ডের মাথায় সতীর্থের পাস থেকে গোল করেন পাবলো ব্যারিওস। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটি অ্যাতলেটিকোর দ্বিতীয় দ্রুততম গোল। শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে রক্ষণ সামলাতে হিমশিম খায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল অ্যাতলেটিকো। ২৭তম মিনিটে গ্রিমালদোর ফ্রি-কিক পোস্ট ও ক্রসবারের সংযোগস্থলে লেগে ফিরে আসে। বিরতির পরও আক্রমণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে স্বাগতিকরা। হুলিয়ান আলভারেজের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হাতছাড়া হয়।
আরও পড়ুস, লিটনের বিশ্বরেকর্ড: দুই ফিফটির সঙ্গে ৯ ডিসমিসাল
অন্যদিকে, পিছিয়ে পড়েও ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় ইউনাইটেড। ব্রুনো ফার্নান্দেজ গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠানোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। পরে তাঁর আরেকটি জোরালো শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ফলে সমতায় ফেরার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি ইংলিশ ক্লাবটি।ম্যাচের ৭৪তম মিনিটের পর বড় ধাক্কা খায় ইউনাইটেড। অ্যাতলেটিকোর আদেমোলা লুকমানকে পেছন থেকে ফাউল করায় লাল কার্ড দেখেন লেনি ইউরো। একজন কম নিয়ে খেলার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৭৯তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লুকমান। ডেভিডের শট গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বল পেয়ে সহজেই জালে পাঠান নাইজেরিয়ান এই উইঙ্গার।পরিসংখ্যানেও এগিয়ে ছিল অ্যাতলেটিকো। ম্যাচে ৫৮ শতাংশ বলের দখল রাখার পাশাপাশি গোলের লক্ষ্যে পাঁচটি শট নেয় তারা। বিপরীতে ইউনাইটেডের লক্ষ্যে ছিল চারটি শট।এই জয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে জয়ের ধারায় থাকল সিমিওনের দল। অন্যদিকে, ক্যারিকের ইউনাইটেড টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুই ম্যাচ শেষে উভয় দলের সংগ্রহ তিন পয়েন্ট। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় তালিকায় ইউনাইটেড সপ্তম এবং অ্যাতলেটিকো ১৩তম স্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন