আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ৬ নম্বর মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় সমর্থন প্রত্যাশা করছেন মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা জাহেদুল ইসলাম সরকার রাব্বু। তিনি উপজেলার বেড়াখাই গ্রামের মৃত নুরুল হক সরকারে ছেলে।জাহেদুল ইসলাম রাব্বুর দাবি, দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮৫ সালে জয়পুরহাট সরকারি কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। এরপর ১৯৯০ সালের এরশাদবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময়ে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।তিনি জানান, ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচন, ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। ২০০৮ সালে তিনি মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়া জেলা ও উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন বলে জানান তিনি।জাহেদুল ইসলাম রাব্বুর ভাষ্য, ২০১৩-১৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি চারটি মামলার আসামি হন। ২০১৮ সালে তিনি ২৬ দিন কারাভোগ করেন বলেও দাবি করেন। বর্তমানে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন।
আরও পড়ুন, কসবায় স্কুল শিক্ষিকাকে অপহরণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানবন্ধন
জাহেদুল ইসলাম রাব্বু বলেন, “আমি পদ-পদবির জন্য রাজনীতি করিনি, দলের জন্য রাজনীতি করেছি। জীবনের ৪০টি বছর বিএনপিকে দিয়েছি। জেল-জুলুম, মামলা-হামলা সব সহ্য করেছি। দল যদি আমাকে মূল্যায়ন করে, ইনশাআল্লাহ ইউনিয়নবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিজয়ী হওয়ার চেষ্টা করব।”তিনি আরও বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে এই ইউনিয়নকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত করার চেষ্টা করব। সাধারণ মানুষের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা থাকবে। আমি চেয়ারম্যান নয়, মানুষের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই। রাস্তাঘাট, শিক্ষা, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের অধিকার স্বচ্ছতার সঙ্গে নিশ্চিত করতে কাজ করব।”এদিকে, ইউনিয়নের কয়েকজন ভোটার বলেন, জাহেদুল ইসলাম রাব্বু দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন সময়ে তিনি স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের মতে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে এবং দলীয় সমর্থন পেলে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভালো অবস্থান তৈরি করতে পারেন।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা আরও বলেন, “আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন এবং বিপদে পাশে থাকবেন। রাব্বু ভাইকে আমরা দীর্ঘদিন ধরে চিনি। তিনি মানুষের বিপদে এগিয়ে আসেন।”তবে দলীয় সমর্থন বা মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে কার ভাগ্যে যাচ্ছে, তা সংশ্লিষ্ট দলের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের একাংশের প্রত্যাশা, তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে জাহেদুল ইসলাম রাব্বু দলীয় সমর্থনের ক্ষেত্রে বিবেচিত হতে পারেন।
বিষয় : প্রত্যাশী ইউপি নির্বাচন

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ৬ নম্বর মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় সমর্থন প্রত্যাশা করছেন মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা জাহেদুল ইসলাম সরকার রাব্বু। তিনি উপজেলার বেড়াখাই গ্রামের মৃত নুরুল হক সরকারে ছেলে।জাহেদুল ইসলাম রাব্বুর দাবি, দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮৫ সালে জয়পুরহাট সরকারি কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। এরপর ১৯৯০ সালের এরশাদবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময়ে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।তিনি জানান, ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচন, ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। ২০০৮ সালে তিনি মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়া জেলা ও উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন বলে জানান তিনি।জাহেদুল ইসলাম রাব্বুর ভাষ্য, ২০১৩-১৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি চারটি মামলার আসামি হন। ২০১৮ সালে তিনি ২৬ দিন কারাভোগ করেন বলেও দাবি করেন। বর্তমানে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন।
আরও পড়ুন, কসবায় স্কুল শিক্ষিকাকে অপহরণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানবন্ধন
জাহেদুল ইসলাম রাব্বু বলেন, “আমি পদ-পদবির জন্য রাজনীতি করিনি, দলের জন্য রাজনীতি করেছি। জীবনের ৪০টি বছর বিএনপিকে দিয়েছি। জেল-জুলুম, মামলা-হামলা সব সহ্য করেছি। দল যদি আমাকে মূল্যায়ন করে, ইনশাআল্লাহ ইউনিয়নবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিজয়ী হওয়ার চেষ্টা করব।”তিনি আরও বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে এই ইউনিয়নকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত করার চেষ্টা করব। সাধারণ মানুষের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা থাকবে। আমি চেয়ারম্যান নয়, মানুষের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই। রাস্তাঘাট, শিক্ষা, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের অধিকার স্বচ্ছতার সঙ্গে নিশ্চিত করতে কাজ করব।”এদিকে, ইউনিয়নের কয়েকজন ভোটার বলেন, জাহেদুল ইসলাম রাব্বু দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন সময়ে তিনি স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের মতে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে এবং দলীয় সমর্থন পেলে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভালো অবস্থান তৈরি করতে পারেন।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা আরও বলেন, “আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন এবং বিপদে পাশে থাকবেন। রাব্বু ভাইকে আমরা দীর্ঘদিন ধরে চিনি। তিনি মানুষের বিপদে এগিয়ে আসেন।”তবে দলীয় সমর্থন বা মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে কার ভাগ্যে যাচ্ছে, তা সংশ্লিষ্ট দলের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের একাংশের প্রত্যাশা, তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে জাহেদুল ইসলাম রাব্বু দলীয় সমর্থনের ক্ষেত্রে বিবেচিত হতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন