দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আদালতের নির্দেশে ক্রোক/অবরুদ্ধ থাকা গোপালগঞ্জের ‘স্বর্ণা টাওয়ার’ ভবনের সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে নিয়োগকৃত রিসিভার। আজ বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় গোপালগঞ্জ পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর সোনাকুড় এলাকায় অবস্থিত ভবনটির দায়িত্ব গ্রহণের কার্যক্রম পরিচালনা করেন জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন - দুদক। এর আগে দুদক গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চিঠিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্ধারিত সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে রিসিভারের দায়িত্বভার গ্রহণ ও কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।নিয়োগকৃত রিসিভাররা হলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন -দুদক এর সহকারি পরিচালক আব্দুল লতিফ হাওলাদার ও উপ-সহকারী পরিচালক আফসার উদ্দিন। দুদকের নথি অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধু রোডের চর সোনাকুড় এলাকায় অবস্থিত ‘স্বর্ণা টাওয়ার’ ভবনটির মালিক জেলা শহরের খ্রিস্টান পাড়ার হাজী আব্দুস সালামের ছেলে ফিলিপাইন প্রবাসী শেখ মোঃ ইকরাম। এছাড়া, শেখ মোহাম্মদ ইকরাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এপিএস -২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর শ্যালক। জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন,জেলা কার্যালয়,
আরও পড়ুন, সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, শিক্ষিকাকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুর
ঢাকা-০১-এর মামলা নম্বর ৪৩, তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২৫-এর পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। পরবর্তীতে মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত, ঢাকা ২০২৫ সালের ২৬ জুন ও ২৪ আগস্ট এ মামলায় পৃথক আদেশ দেন। ওই আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে সম্পত্তিটি ক্রোক/অবরুদ্ধ এবং রিসিভার নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানায় দুদক গোপালগঞ্জ। প্রকৃত সম্পত্তির মধ্যে ফ্লাটের ৩০ টি ফ্ল্যাট, ১টি লিফট, সিসিটিভি ও আসবাবপত্র রয়েছে। গোপালগঞ্জ জেলা দুদকের উপ সহকারী পরিচালক আফসার উদ্দিন গনমাধ্যম কর্মীদের জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘স্বর্ণা টাওয়ার’-এর সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব রিসিভারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম করছি আমরা। সম্পত্তি ক্রোক/অবরুদ্ধ এবং রিসিভার নিয়োগের পর এবার ভবনটির বাস্তব রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়ায় করছে দুদক। এখন থেকে আদালতের আদেশ অনুযায়ী ভবনটির ব্যবস্থাপনা রিসিভারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। ভবন মালিকের বড় ভাই আবুল কালাম আজাদ বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার দুদকের নোটিশ পেয়েছি। একদিন পরেই আদালতের রায় কার্যকর করা হয়েছে। তুমি আরো বলেন, আমরা দুই ভাই প্রায় তিন যুগ ধরে ফিলিপাইনে বসবাস করি। আমরা রেমিট্যান্স যোদ্ধা। আমাদের রক্ত ঘামের বিনিময়ে অর্জিত টাকায় এই ভবন নির্মাণ করেছি। আমাদের কোন কালো টাকা নেই।
বিষয় : দায়িত্ব গ্রহণ দুর্নীতি দমন রিসিভার

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আদালতের নির্দেশে ক্রোক/অবরুদ্ধ থাকা গোপালগঞ্জের ‘স্বর্ণা টাওয়ার’ ভবনের সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে নিয়োগকৃত রিসিভার। আজ বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় গোপালগঞ্জ পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর সোনাকুড় এলাকায় অবস্থিত ভবনটির দায়িত্ব গ্রহণের কার্যক্রম পরিচালনা করেন জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন - দুদক। এর আগে দুদক গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চিঠিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্ধারিত সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে রিসিভারের দায়িত্বভার গ্রহণ ও কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।নিয়োগকৃত রিসিভাররা হলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন -দুদক এর সহকারি পরিচালক আব্দুল লতিফ হাওলাদার ও উপ-সহকারী পরিচালক আফসার উদ্দিন। দুদকের নথি অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধু রোডের চর সোনাকুড় এলাকায় অবস্থিত ‘স্বর্ণা টাওয়ার’ ভবনটির মালিক জেলা শহরের খ্রিস্টান পাড়ার হাজী আব্দুস সালামের ছেলে ফিলিপাইন প্রবাসী শেখ মোঃ ইকরাম। এছাড়া, শেখ মোহাম্মদ ইকরাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এপিএস -২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর শ্যালক। জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন,জেলা কার্যালয়,
আরও পড়ুন, সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, শিক্ষিকাকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুর
ঢাকা-০১-এর মামলা নম্বর ৪৩, তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২৫-এর পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। পরবর্তীতে মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত, ঢাকা ২০২৫ সালের ২৬ জুন ও ২৪ আগস্ট এ মামলায় পৃথক আদেশ দেন। ওই আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে সম্পত্তিটি ক্রোক/অবরুদ্ধ এবং রিসিভার নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানায় দুদক গোপালগঞ্জ। প্রকৃত সম্পত্তির মধ্যে ফ্লাটের ৩০ টি ফ্ল্যাট, ১টি লিফট, সিসিটিভি ও আসবাবপত্র রয়েছে। গোপালগঞ্জ জেলা দুদকের উপ সহকারী পরিচালক আফসার উদ্দিন গনমাধ্যম কর্মীদের জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘স্বর্ণা টাওয়ার’-এর সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব রিসিভারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম করছি আমরা। সম্পত্তি ক্রোক/অবরুদ্ধ এবং রিসিভার নিয়োগের পর এবার ভবনটির বাস্তব রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়ায় করছে দুদক। এখন থেকে আদালতের আদেশ অনুযায়ী ভবনটির ব্যবস্থাপনা রিসিভারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। ভবন মালিকের বড় ভাই আবুল কালাম আজাদ বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার দুদকের নোটিশ পেয়েছি। একদিন পরেই আদালতের রায় কার্যকর করা হয়েছে। তুমি আরো বলেন, আমরা দুই ভাই প্রায় তিন যুগ ধরে ফিলিপাইনে বসবাস করি। আমরা রেমিট্যান্স যোদ্ধা। আমাদের রক্ত ঘামের বিনিময়ে অর্জিত টাকায় এই ভবন নির্মাণ করেছি। আমাদের কোন কালো টাকা নেই।

আপনার মতামত লিখুন