ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দেখা দিয়েছে তীব্র গ্যাস সংকট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস না পেয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। শুধু যানবাহন নয়, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বাসাবাড়ির মানুষ ও মির্জাপুরের গোড়াই শিল্পাঞ্চলের ব্যবসায়ী-শ্রমিকরা।শনিবার মির্জাপুর পৌরসভার বাওয়ার কুমারজানি এলাকায় মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, গ্যাসের চাপ না থাকায় স্টেশনের সামনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। প্রচণ্ড রোদের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন চালক ও শ্রমিকরা।স্থানীয়দের অভিযোগ, টানা ১০ থেকে ১২ দিন ধরে সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাসের চাপ কম। যমুনা সেতুর পূর্বপ্রান্ত থেকে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার মহাসড়কের দুই পাশে রয়েছে ১৫টি সিএনজি ফিলিং স্টেশন। এসব স্টেশনেই কমবেশি একই পরিস্থিতি।
আরও পড়ুন, রূপসায় যুবককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় আতঙ্ক
ফিলিং স্টেশনগুলোর ব্যবস্থাপকদের দাবি, মাঝেমধ্যে সামান্য গ্যাস পাওয়া গেলেও একটি যানবাহনে ২০০ থেকে ২৫০ টাকার বেশি গ্যাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।এদিকে গ্যাসের চাপ কম থাকায় মির্জাপুরের গোড়াই শিল্পাঞ্চলের অর্ধশতাধিক শিল্পকারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কোনো কোনো কারখানায় উৎপাদন প্রায় বন্ধের পর্যায়ে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।একই সঙ্গে বাসাবাড়িতেও দেখা দিয়েছে রান্নার সংকট। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে খাবার কিনছে, আবার কেউ কেউ লাকড়ি ব্যবহার করে রান্না করছেন।সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে পরিবহন, আবাসিক ও শিল্প—তিন খাতেই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দেখা দিয়েছে তীব্র গ্যাস সংকট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস না পেয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। শুধু যানবাহন নয়, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বাসাবাড়ির মানুষ ও মির্জাপুরের গোড়াই শিল্পাঞ্চলের ব্যবসায়ী-শ্রমিকরা।শনিবার মির্জাপুর পৌরসভার বাওয়ার কুমারজানি এলাকায় মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, গ্যাসের চাপ না থাকায় স্টেশনের সামনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। প্রচণ্ড রোদের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন চালক ও শ্রমিকরা।স্থানীয়দের অভিযোগ, টানা ১০ থেকে ১২ দিন ধরে সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাসের চাপ কম। যমুনা সেতুর পূর্বপ্রান্ত থেকে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার মহাসড়কের দুই পাশে রয়েছে ১৫টি সিএনজি ফিলিং স্টেশন। এসব স্টেশনেই কমবেশি একই পরিস্থিতি।
আরও পড়ুন, রূপসায় যুবককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় আতঙ্ক
ফিলিং স্টেশনগুলোর ব্যবস্থাপকদের দাবি, মাঝেমধ্যে সামান্য গ্যাস পাওয়া গেলেও একটি যানবাহনে ২০০ থেকে ২৫০ টাকার বেশি গ্যাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।এদিকে গ্যাসের চাপ কম থাকায় মির্জাপুরের গোড়াই শিল্পাঞ্চলের অর্ধশতাধিক শিল্পকারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কোনো কোনো কারখানায় উৎপাদন প্রায় বন্ধের পর্যায়ে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।একই সঙ্গে বাসাবাড়িতেও দেখা দিয়েছে রান্নার সংকট। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে খাবার কিনছে, আবার কেউ কেউ লাকড়ি ব্যবহার করে রান্না করছেন।সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে পরিবহন, আবাসিক ও শিল্প—তিন খাতেই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন