পাহাড়ের অলি-গলিতে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তুলে অর্থের প্রবাহ বাড়ানোর মাধ্যমে পাহাড়কে বেকারত্বমুক্ত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া।১৩ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্কে নতুন সংযোজিত জায়ান্ট সুইং, জিপ লাইন ও কিডস জোনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা বলেন, “পাহাড়ের অলি-গলিতে ট্যুরিজম গড়ে তুলে মানি সার্কুলেশন করতে পারলে পাহাড়কে বেকারমুক্ত করা সম্ভব।” এজন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগে সম্ভাবনাময় এলাকায় পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, খাগড়াছড়ির পাহাড়, ঝরনা, বন ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে কাজে লাগিয়ে পর্যটনশিল্পের ব্যাপক বিকাশের সুযোগ রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা গেলে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানও বাড়বে।সংসদ সদস্য বলেন, পর্যটনের সঙ্গে পরিবহন, আবাসন, রেস্তোরাঁ, স্থানীয় পণ্য, হস্তশিল্প, কৃষিপণ্য ও ক্ষুদ্র ব্যবসা সরাসরি জড়িত। একটি পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠলে শুধু ওই এলাকার ব্যবসায়ীরাই নয়,
আরও পুড়ন, ইয়াবাসহ আটক ‘মাদক ব্যবসায়ী’ শাহীন, রয়েছে ৮টি মাদক মামলা
বহু মানুষও আয়-রোজগারের সুযোগ পাবেন। এতে পাহাড়ের অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ বাড়বে এবং তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।হর্টিকালচার পার্কে নতুন বিনোদন সুবিধা যুক্ত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, জায়ান্ট সুইং, জিপ লাইন ও কিডস জোন যুক্ত হওয়ায় পার্কটির আকর্ষণ বেড়েছে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে এ ধরনের আরও নতুন বিনোদন ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, বিনোদন ও পর্যটনকেন্দ্রিক কার্যক্রম বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, যুবসমাজের জন্য নিরাপদ ও আনন্দদায়ক বিনোদনের পরিবেশ সৃষ্টি করা গেলে তাদের মাদকসহ নানা ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা সম্ভব।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, হর্টিকালচার পার্ককে আরও আকর্ষণীয় ও আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন সংযোজিত সুবিধাগুলো দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি পার্কের সৌন্দর্য ও বিনোদনমূল্য বাড়াবে।অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার উন্নয়নকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : উদ্যোগ পাহাড়ের পর্যটন বেকারত্বমুক্ত

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
পাহাড়ের অলি-গলিতে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তুলে অর্থের প্রবাহ বাড়ানোর মাধ্যমে পাহাড়কে বেকারত্বমুক্ত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া।১৩ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্কে নতুন সংযোজিত জায়ান্ট সুইং, জিপ লাইন ও কিডস জোনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা বলেন, “পাহাড়ের অলি-গলিতে ট্যুরিজম গড়ে তুলে মানি সার্কুলেশন করতে পারলে পাহাড়কে বেকারমুক্ত করা সম্ভব।” এজন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগে সম্ভাবনাময় এলাকায় পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, খাগড়াছড়ির পাহাড়, ঝরনা, বন ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে কাজে লাগিয়ে পর্যটনশিল্পের ব্যাপক বিকাশের সুযোগ রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা গেলে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানও বাড়বে।সংসদ সদস্য বলেন, পর্যটনের সঙ্গে পরিবহন, আবাসন, রেস্তোরাঁ, স্থানীয় পণ্য, হস্তশিল্প, কৃষিপণ্য ও ক্ষুদ্র ব্যবসা সরাসরি জড়িত। একটি পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠলে শুধু ওই এলাকার ব্যবসায়ীরাই নয়,
আরও পুড়ন, ইয়াবাসহ আটক ‘মাদক ব্যবসায়ী’ শাহীন, রয়েছে ৮টি মাদক মামলা
বহু মানুষও আয়-রোজগারের সুযোগ পাবেন। এতে পাহাড়ের অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ বাড়বে এবং তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।হর্টিকালচার পার্কে নতুন বিনোদন সুবিধা যুক্ত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, জায়ান্ট সুইং, জিপ লাইন ও কিডস জোন যুক্ত হওয়ায় পার্কটির আকর্ষণ বেড়েছে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে এ ধরনের আরও নতুন বিনোদন ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, বিনোদন ও পর্যটনকেন্দ্রিক কার্যক্রম বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, যুবসমাজের জন্য নিরাপদ ও আনন্দদায়ক বিনোদনের পরিবেশ সৃষ্টি করা গেলে তাদের মাদকসহ নানা ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা সম্ভব।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, হর্টিকালচার পার্ককে আরও আকর্ষণীয় ও আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন সংযোজিত সুবিধাগুলো দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি পার্কের সৌন্দর্য ও বিনোদনমূল্য বাড়াবে।অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার উন্নয়নকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন