দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬

রাঙামাটির লংগদুতে অগ্নিকাণ্ডে তিন ফার্নিচার কারখানা ও বসতঘর পুড়ে ছাই

রাঙামাটির লংগদুতে অগ্নিকাণ্ডে তিন ফার্নিচার কারখানা ও বসতঘর পুড়ে ছাই
অগ্নিকাণ্ডে তিন ফার্নিচার কারখানা ও বসতঘর পুড়ে ছাই

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি ফার্নিচার কারখানা ও একটি বসতঘর পুড়ে গেছে। সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের দ্রুত পদক্ষেপে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।সোমবার ভোরে লংগদুর মাইনীমুখ ইউনিয়নের গাঁথাছড়া এলাকায় একটি কাঠমিস্ত্রির কারখানায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের আরও কয়েকটি স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়ে।

আরও  পড়ুন, কক্সবাজারে পাহাড়ি বন পুনরুদ্ধারে ৩০ হেক্টর এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

খবর পেয়ে লংগদু জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর তিনটি টহল দল অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে অংশ নেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসও যোগ দেয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সমন্বিত পদক্ষেপের কারণে আগুনের বিস্তার সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে এবং কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় লংগদু জোনের মেডিকেল টিমও চিকিৎসা সহায়তার জন্য প্রস্তুত ছিল।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত সাড়া না পেলে আগুন আরও বড় এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারত।

বিষয় : অগ্নিকাণ্ড ফার্নিচার কারখানা বসতঘর

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬


রাঙামাটির লংগদুতে অগ্নিকাণ্ডে তিন ফার্নিচার কারখানা ও বসতঘর পুড়ে ছাই

প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি ফার্নিচার কারখানা ও একটি বসতঘর পুড়ে গেছে। সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের দ্রুত পদক্ষেপে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।সোমবার ভোরে লংগদুর মাইনীমুখ ইউনিয়নের গাঁথাছড়া এলাকায় একটি কাঠমিস্ত্রির কারখানায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের আরও কয়েকটি স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়ে।

আরও  পড়ুন, কক্সবাজারে পাহাড়ি বন পুনরুদ্ধারে ৩০ হেক্টর এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

খবর পেয়ে লংগদু জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর তিনটি টহল দল অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে অংশ নেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসও যোগ দেয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সমন্বিত পদক্ষেপের কারণে আগুনের বিস্তার সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে এবং কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় লংগদু জোনের মেডিকেল টিমও চিকিৎসা সহায়তার জন্য প্রস্তুত ছিল।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত সাড়া না পেলে আগুন আরও বড় এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারত।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত