বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ৭৮০ কেজি কিউ জাতের আনারস পাঠিয়েছেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা।বুধবার দুপুর ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আনারসের চালানটি বাংলাদেশে পৌঁছায়।জানা গেছে, ১০০টি বক্সে মোট ৬২০টি ত্রিপুরার বিখ্যাত কিউ জাতের আনারস পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি বক্সে ছিল ৫ থেকে ৬টি আনারস এবং প্রতিটির গড় ওজন ১ কেজিরও বেশি।আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টের জিরো পয়েন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে উপহার গ্রহণ করেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা,
আরও পড়ুন, টেক্সটাইল শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী
আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের কর্মকর্তারা।ত্রিপুরা সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, কৃষি ও উদ্যান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং বিএসএফের প্রতিনিধিরা।অপূর্ব রায় বলেন, দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যেই এই শুভেচ্ছা উপহার পাঠানো হয়েছে।এই উপহারকে বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং আন্তঃসীমান্ত সম্পর্কের প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ৭৮০ কেজি কিউ জাতের আনারস পাঠিয়েছেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা।বুধবার দুপুর ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আনারসের চালানটি বাংলাদেশে পৌঁছায়।জানা গেছে, ১০০টি বক্সে মোট ৬২০টি ত্রিপুরার বিখ্যাত কিউ জাতের আনারস পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি বক্সে ছিল ৫ থেকে ৬টি আনারস এবং প্রতিটির গড় ওজন ১ কেজিরও বেশি।আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টের জিরো পয়েন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে উপহার গ্রহণ করেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা,
আরও পড়ুন, টেক্সটাইল শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী
আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের কর্মকর্তারা।ত্রিপুরা সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, কৃষি ও উদ্যান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং বিএসএফের প্রতিনিধিরা।অপূর্ব রায় বলেন, দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যেই এই শুভেচ্ছা উপহার পাঠানো হয়েছে।এই উপহারকে বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং আন্তঃসীমান্ত সম্পর্কের প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন