ময়মনসিংহে স্বামী শফিকুল ইসলাম শপুকে হত্যার দায়ে তার দ্বিতীয় স্ত্রী আফরোজা শেখ ইতিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২০১৯ সালের আলোচিত এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে বুধবার।ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় দেন। একই সঙ্গে ইতিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মামলার বিবরণ অনুযায়ী, শফিকুল ইসলাম শপু প্রথম স্ত্রী ও সন্তান থাকা অবস্থায় আফরোজা শেখ ইতিকে বিয়ে করেন। এরপর প্রথম পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখাকে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহ বাড়তে থাকে।
আরও পড়ুন, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ, তদন্তে নেমেছে পুলিশ
আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১০ জুন ইতি পরিকল্পিতভাবে শপুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বাড়ির সামনের একটি পচা পুকুরে কচুরিপানার নিচে মরদেহ লুকিয়ে রাখেন।তিন দিন পর স্থানীয়রা পুকুরে কচুরিপানার ভেতর একটি হাত দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।ঘটনার পর নিহতের মা নুরুন্নাহার কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত ইতিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তার ভাই দ্বীন ইসলামকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
ময়মনসিংহে স্বামী শফিকুল ইসলাম শপুকে হত্যার দায়ে তার দ্বিতীয় স্ত্রী আফরোজা শেখ ইতিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২০১৯ সালের আলোচিত এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে বুধবার।ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় দেন। একই সঙ্গে ইতিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মামলার বিবরণ অনুযায়ী, শফিকুল ইসলাম শপু প্রথম স্ত্রী ও সন্তান থাকা অবস্থায় আফরোজা শেখ ইতিকে বিয়ে করেন। এরপর প্রথম পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখাকে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহ বাড়তে থাকে।
আরও পড়ুন, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ, তদন্তে নেমেছে পুলিশ
আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১০ জুন ইতি পরিকল্পিতভাবে শপুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বাড়ির সামনের একটি পচা পুকুরে কচুরিপানার নিচে মরদেহ লুকিয়ে রাখেন।তিন দিন পর স্থানীয়রা পুকুরে কচুরিপানার ভেতর একটি হাত দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।ঘটনার পর নিহতের মা নুরুন্নাহার কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত ইতিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তার ভাই দ্বীন ইসলামকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন