রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ২০ ঘণ্টা পরও নিখোঁজ বাবা ও ছেলেকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের উদ্ধারে দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এদিকে বাড়িতে স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।মঙ্গলবার দুপুরে পবা উপজেলার চরখানপুরের পদ্মার চর থেকে ঝাউগাছ নিয়ে নৌকায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন আফছার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম। নৌকাডুবির ঘটনায় জিয়ারুলের মা জাহেরা বেগম প্রাণে বেঁচে গেলেও বাবা-ছেলে নিখোঁজ হন।ঘটনার পর থেকেই রাজশাহীর বড়কুঠি এলাকায় এবং আশপাশের নদীপথে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। পদ্মার তীব্র স্রোতের কারণে তল্লাশি এলাকা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, দক্ষিণ আফ্রিকায় মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড: একই পরিবারের চার সদস্যসহ ৬ বাংলাদেশি নিহত
“পানিতে ডুবে গেলে ভেসে যায়। কিন্তু তাদের পাওয়া গেল না। আল্লাহ জানে তাদের সঙ্গে শেষ দেখা হবে কিনা।”নিখোঁজদের বাড়িতে স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড় জমেছে। একই পরিবারের দুই সদস্য নিখোঁজ হওয়ায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, নদীর স্রোত বিবেচনায় রেখে তীরবর্তী এলাকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয় থানাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে ২০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বাবা-ছেলের কোনো সন্ধান না মেলায় উৎকণ্ঠা বাড়ছে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে।
বিষয় : নৌকাডুবি বাবা-ছেলে উদ্ধার অভিযান

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ২০ ঘণ্টা পরও নিখোঁজ বাবা ও ছেলেকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের উদ্ধারে দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এদিকে বাড়িতে স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।মঙ্গলবার দুপুরে পবা উপজেলার চরখানপুরের পদ্মার চর থেকে ঝাউগাছ নিয়ে নৌকায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন আফছার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম। নৌকাডুবির ঘটনায় জিয়ারুলের মা জাহেরা বেগম প্রাণে বেঁচে গেলেও বাবা-ছেলে নিখোঁজ হন।ঘটনার পর থেকেই রাজশাহীর বড়কুঠি এলাকায় এবং আশপাশের নদীপথে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। পদ্মার তীব্র স্রোতের কারণে তল্লাশি এলাকা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, দক্ষিণ আফ্রিকায় মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড: একই পরিবারের চার সদস্যসহ ৬ বাংলাদেশি নিহত
“পানিতে ডুবে গেলে ভেসে যায়। কিন্তু তাদের পাওয়া গেল না। আল্লাহ জানে তাদের সঙ্গে শেষ দেখা হবে কিনা।”নিখোঁজদের বাড়িতে স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড় জমেছে। একই পরিবারের দুই সদস্য নিখোঁজ হওয়ায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, নদীর স্রোত বিবেচনায় রেখে তীরবর্তী এলাকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয় থানাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে ২০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বাবা-ছেলের কোনো সন্ধান না মেলায় উৎকণ্ঠা বাড়ছে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে।

আপনার মতামত লিখুন