বিশ্বকাপ শেষে বিশ্রামের বদলে পোকার টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। তবে সমালোচনার জবাব দিলেন নিজের সবচেয়ে পরিচিত উপায়ে—গোল করে। ব্রাজিলিয়ান লিগে শাপকোয়েন্সের বিপক্ষে জোড়া গোল করে সান্তোসকে হার থেকে বাঁচিয়েছেন তিনি।অবনমন অঞ্চলের শঙ্কায় থাকা সান্তোসের জন্য ম্যাচটি ছিল বাঁচা-মরার লড়াই। শুরুতেই সতীর্থের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে দুর্দান্ত গোল করেন নেইমার। গোলের পর তাঁর পোকার স্টাইলে উদযাপন ছিল সমালোচকদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা।তবে প্রথমার্ধের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় শাপকোয়েন্স। একের পর এক আক্রমণে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দলটি।
আরও পড়ুন, বিশ্বকাপ হারলেও সুখবর আর্জেন্টিনার, ২০৩০ আসরে সরাসরি খেলার সুযোগ
তখন সান্তোসের হার প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল।কিন্তু শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন নেইমার। ম্যাচের অন্তিম সময়ে করা তাঁর দ্বিতীয় গোল সান্তোসকে এনে দেয় মূল্যবান এক পয়েন্ট।বিশ্বকাপ চলাকালে চোট ও ফিটনেস সমস্যার কারণে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারেননি নেইমার। পরে ক্লাবের একটি ম্যাচে অনুপস্থিত থেকে পোকার টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।এর জবাবে নেইমার বলেছিলেন, তিনি নিয়মিত অনুশীলন করছেন এবং সমালোচকদের নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকার পরামর্শ দেন।শেষ পর্যন্ত কথার বদলে পারফরম্যান্সেই জবাব দিলেন ব্রাজিলিয়ান এই সুপারস্টার। জোড়া গোল আর পোকার উদযাপনে যেন জানিয়ে দিলেন—বিতর্ক নয়, মাঠেই তাঁর আসল পরিচয়।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপ শেষে বিশ্রামের বদলে পোকার টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। তবে সমালোচনার জবাব দিলেন নিজের সবচেয়ে পরিচিত উপায়ে—গোল করে। ব্রাজিলিয়ান লিগে শাপকোয়েন্সের বিপক্ষে জোড়া গোল করে সান্তোসকে হার থেকে বাঁচিয়েছেন তিনি।অবনমন অঞ্চলের শঙ্কায় থাকা সান্তোসের জন্য ম্যাচটি ছিল বাঁচা-মরার লড়াই। শুরুতেই সতীর্থের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে দুর্দান্ত গোল করেন নেইমার। গোলের পর তাঁর পোকার স্টাইলে উদযাপন ছিল সমালোচকদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা।তবে প্রথমার্ধের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় শাপকোয়েন্স। একের পর এক আক্রমণে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দলটি।
আরও পড়ুন, বিশ্বকাপ হারলেও সুখবর আর্জেন্টিনার, ২০৩০ আসরে সরাসরি খেলার সুযোগ
তখন সান্তোসের হার প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল।কিন্তু শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন নেইমার। ম্যাচের অন্তিম সময়ে করা তাঁর দ্বিতীয় গোল সান্তোসকে এনে দেয় মূল্যবান এক পয়েন্ট।বিশ্বকাপ চলাকালে চোট ও ফিটনেস সমস্যার কারণে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারেননি নেইমার। পরে ক্লাবের একটি ম্যাচে অনুপস্থিত থেকে পোকার টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।এর জবাবে নেইমার বলেছিলেন, তিনি নিয়মিত অনুশীলন করছেন এবং সমালোচকদের নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকার পরামর্শ দেন।শেষ পর্যন্ত কথার বদলে পারফরম্যান্সেই জবাব দিলেন ব্রাজিলিয়ান এই সুপারস্টার। জোড়া গোল আর পোকার উদযাপনে যেন জানিয়ে দিলেন—বিতর্ক নয়, মাঠেই তাঁর আসল পরিচয়।

আপনার মতামত লিখুন