রাজধানীর ডেমরায় ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট দেওয়ার পর মো. সাইদুল ইসলাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনায় স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির পাঁচ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।নিহত সাইদুল ইসলামের বাবা মো. ছাদেক গত সোমবার রাতে ডেমরা থানায় মামলাটি করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, স্ত্রী ও শাশুড়ির অপমান-অপদস্থের কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সাইদুল আত্মহত্যা করেন।সাইদুল ইসলামের বাড়ি ফেনী সদর উপজেলার উত্তর চাঁদপুর গ্রামে। তিনি পূর্বাঞ্চল আঞ্চলিক পুলিশ লাইনসের ‘সি’ কোম্পানিতে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।পরিবারের অভিযোগ,
আরও পড়ুন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএমপির অভিযান একদিনে ১,৩৮৬ মামলা
চলতি বছরের ৪ মে বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। একপর্যায়ে স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে ফোনে যোগাযোগ করলে স্ত্রী ও শাশুড়ি তাকে গালাগাল ও অপমান করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এরপর গত ১৬ জুলাই রাতে ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দেওয়ার পর পুলিশ লাইনসের নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাইফুর রহমান মির্জা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চল আঞ্চলিক পুলিশ লাইনসের ইনচার্জ ডিসি কাজী নুসরাত লুনা বলেন, দাম্পত্য কলহের কারণে তাদের মধ্যে মতবিরোধ চলছিল। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
বিষয় : আত্মহত্যা আবেগঘন পোস্ট পুলিশ সদস্যে

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর ডেমরায় ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট দেওয়ার পর মো. সাইদুল ইসলাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনায় স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির পাঁচ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।নিহত সাইদুল ইসলামের বাবা মো. ছাদেক গত সোমবার রাতে ডেমরা থানায় মামলাটি করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, স্ত্রী ও শাশুড়ির অপমান-অপদস্থের কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সাইদুল আত্মহত্যা করেন।সাইদুল ইসলামের বাড়ি ফেনী সদর উপজেলার উত্তর চাঁদপুর গ্রামে। তিনি পূর্বাঞ্চল আঞ্চলিক পুলিশ লাইনসের ‘সি’ কোম্পানিতে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।পরিবারের অভিযোগ,
আরও পড়ুন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএমপির অভিযান একদিনে ১,৩৮৬ মামলা
চলতি বছরের ৪ মে বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। একপর্যায়ে স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে ফোনে যোগাযোগ করলে স্ত্রী ও শাশুড়ি তাকে গালাগাল ও অপমান করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এরপর গত ১৬ জুলাই রাতে ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দেওয়ার পর পুলিশ লাইনসের নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাইফুর রহমান মির্জা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চল আঞ্চলিক পুলিশ লাইনসের ইনচার্জ ডিসি কাজী নুসরাত লুনা বলেন, দাম্পত্য কলহের কারণে তাদের মধ্যে মতবিরোধ চলছিল। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন