গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরভেলা, নাগরী এলাকায় অবস্থিত আইশিন ফুডস কোম্পানিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।রবিবার (২০ জুলাই ২০২৬) পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন জনাব জাকিয়া সরওয়ার লিমা (১৮৯৪৭), সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, কালীগঞ্জ, গাজীপুর।অভিযানকালে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত ব্রেডের মেয়াদ ২০ দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত উল্লেখ করা হলেও এত দীর্ঘ মেয়াদ নির্ধারণের পক্ষে কর্তৃপক্ষ কোনো ল্যাবরেটরি পরীক্ষার প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে পারেনি।এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির প্রাপ্ত বিএসটিআই লাইসেন্সের সঙ্গে উৎপাদিত ব্রেডের উপকরণের মিল পাওয়া যায়নি। লাইসেন্সে উল্লেখিত পণ্যের পরিবর্তে ভিন্ন ধরনের ব্রেড উৎপাদন করা হচ্ছিল বলে মোবাইল কোর্টে প্রতীয়মান হয়।
আরও পড়ুন, মেহেন্দিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই সহপাঠীর মর্মান্তিক মৃত্যু
অভিযানকালে আরও দেখা যায়, ব্রেডের ভেতরে ব্যবহৃত জ্যাম ফিলিংসের উপাদান সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কেউ সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। একই সঙ্গে ওই জ্যাম ফিলিংসের কোনো বিএসটিআই অনুমোদনের কাগজপত্রও প্রদর্শন করা সম্ভব হয়নি।তদন্তে কারখানার বিভিন্ন উপকরণ ও নির্দেশনায় শুধুমাত্র চীনা ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে বলে দেখা যায়, যা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর বিধানের পরিপন্থী। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির কোনো হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সও পাওয়া যায়নি।এসব অনিয়মের কারণে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩২(ক) ও ৩৮ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফারজানা ইয়াসমিন সোনিয়া, নিরাপদ খাদ্য অফিসার, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়, গাজীপুর। বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুল ইসলাম।মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বিষয় : জরিমানা ব্রেড উৎপাদন ফুডস কোম্পানি

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরভেলা, নাগরী এলাকায় অবস্থিত আইশিন ফুডস কোম্পানিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।রবিবার (২০ জুলাই ২০২৬) পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন জনাব জাকিয়া সরওয়ার লিমা (১৮৯৪৭), সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, কালীগঞ্জ, গাজীপুর।অভিযানকালে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত ব্রেডের মেয়াদ ২০ দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত উল্লেখ করা হলেও এত দীর্ঘ মেয়াদ নির্ধারণের পক্ষে কর্তৃপক্ষ কোনো ল্যাবরেটরি পরীক্ষার প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে পারেনি।এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির প্রাপ্ত বিএসটিআই লাইসেন্সের সঙ্গে উৎপাদিত ব্রেডের উপকরণের মিল পাওয়া যায়নি। লাইসেন্সে উল্লেখিত পণ্যের পরিবর্তে ভিন্ন ধরনের ব্রেড উৎপাদন করা হচ্ছিল বলে মোবাইল কোর্টে প্রতীয়মান হয়।
আরও পড়ুন, মেহেন্দিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই সহপাঠীর মর্মান্তিক মৃত্যু
অভিযানকালে আরও দেখা যায়, ব্রেডের ভেতরে ব্যবহৃত জ্যাম ফিলিংসের উপাদান সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কেউ সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। একই সঙ্গে ওই জ্যাম ফিলিংসের কোনো বিএসটিআই অনুমোদনের কাগজপত্রও প্রদর্শন করা সম্ভব হয়নি।তদন্তে কারখানার বিভিন্ন উপকরণ ও নির্দেশনায় শুধুমাত্র চীনা ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে বলে দেখা যায়, যা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর বিধানের পরিপন্থী। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির কোনো হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সও পাওয়া যায়নি।এসব অনিয়মের কারণে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩২(ক) ও ৩৮ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফারজানা ইয়াসমিন সোনিয়া, নিরাপদ খাদ্য অফিসার, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়, গাজীপুর। বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুল ইসলাম।মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন