দিনাজপুরের হাকিমপুরে কৌশলে ডেকে এনে এক যুবককে অপহরণ, ১৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি এবং জোরপূর্বক ফাঁকা চেক ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার (৩ জুলাই) পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহৃত যুবককে উদ্ধার করেছে এবং জড়িত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুন ২০২৬ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মামলার ৩ নম্বর আসামি মো. মেহেদী হাসান ওরফে মাহাদী হাসান অফিসের কাজের কথা বলে বাদীর ছেলে জীবনান্দ সরকারকে মোবাইল ফোনে ডেকে নেন। পরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে অপহরণ করে হাকিমপুর পৌরসভার মধ্য বাসুদেবপুর (মাঠপাড়া) এলাকায় ৬ নম্বর আসামি মো. মন্তাজ ওরফে মুন্তাজ হোসেনের বাড়িতে আটকে রাখা হয়।অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় অপহৃত যুবকের পরিবারের কাছে ১৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে মারধর এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তার কাছে থাকা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের তিনটি ফাঁকা চেক এবং ১০০ টাকা মূল্যমানের ছয়টি নন-জুডিশিয়াল ফাঁকা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর ও টিপসই নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন, বাঁশ কাটা নিয়ে বিরোধ, মামার হামলায় প্রাণ গেল ভাগ্নের
পরে অপহৃত যুবককে হাকিমপুর পৌরসভার ধরন্দা গ্রামের হিলি চারমাথায় অবস্থিত ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার একটি অফিস কক্ষে আটকে রাখা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর পরিবার হাকিমপুর থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাকে নিরাপদে উদ্ধার করে।গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন— মো. ইউসুফ আলী (২৮), পিতা মো. ইউনুস আলী, থানা-পাঁচবিবি, জেলা-জয়পুরহাট (বর্তমানে বিরামপুর উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় ভাড়াটিয়া) এবং মো. মোজাম্মেল হোসেন মুকুল (৪৫), পিতা মৃত আব্দুস সাত্তার, সাং-ইসলামপাড়া, থানা-বিরামপুর, জেলা-দিনাজপুর।এ ঘটনায় অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, অবৈধভাবে আটক, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর গ্রহণের অভিযোগে হাকিমপুর থানায় মামলা নং-০১/১৩৭, তারিখ ১ জুলাই ২০২৬, দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৬৫, ৩৮৬, ৩৮৭, ৩৪২ ও ৩৪ ধারায় রুজু হয়েছে।মামলার তদন্ত করছেন হাকিমপুর থানার এসআই (নিঃ) মো. শামীম মিয়া। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এই সংস্করণটি সরাসরি পত্রিকা বা অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশের উপযোগী।
বিষয় : জোরপূর্বক মুক্তিপণ দাবি যুবককে অপহরণ

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
দিনাজপুরের হাকিমপুরে কৌশলে ডেকে এনে এক যুবককে অপহরণ, ১৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি এবং জোরপূর্বক ফাঁকা চেক ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার (৩ জুলাই) পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহৃত যুবককে উদ্ধার করেছে এবং জড়িত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুন ২০২৬ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মামলার ৩ নম্বর আসামি মো. মেহেদী হাসান ওরফে মাহাদী হাসান অফিসের কাজের কথা বলে বাদীর ছেলে জীবনান্দ সরকারকে মোবাইল ফোনে ডেকে নেন। পরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে অপহরণ করে হাকিমপুর পৌরসভার মধ্য বাসুদেবপুর (মাঠপাড়া) এলাকায় ৬ নম্বর আসামি মো. মন্তাজ ওরফে মুন্তাজ হোসেনের বাড়িতে আটকে রাখা হয়।অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় অপহৃত যুবকের পরিবারের কাছে ১৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে মারধর এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তার কাছে থাকা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের তিনটি ফাঁকা চেক এবং ১০০ টাকা মূল্যমানের ছয়টি নন-জুডিশিয়াল ফাঁকা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর ও টিপসই নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন, বাঁশ কাটা নিয়ে বিরোধ, মামার হামলায় প্রাণ গেল ভাগ্নের
পরে অপহৃত যুবককে হাকিমপুর পৌরসভার ধরন্দা গ্রামের হিলি চারমাথায় অবস্থিত ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার একটি অফিস কক্ষে আটকে রাখা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর পরিবার হাকিমপুর থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাকে নিরাপদে উদ্ধার করে।গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন— মো. ইউসুফ আলী (২৮), পিতা মো. ইউনুস আলী, থানা-পাঁচবিবি, জেলা-জয়পুরহাট (বর্তমানে বিরামপুর উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় ভাড়াটিয়া) এবং মো. মোজাম্মেল হোসেন মুকুল (৪৫), পিতা মৃত আব্দুস সাত্তার, সাং-ইসলামপাড়া, থানা-বিরামপুর, জেলা-দিনাজপুর।এ ঘটনায় অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, অবৈধভাবে আটক, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর গ্রহণের অভিযোগে হাকিমপুর থানায় মামলা নং-০১/১৩৭, তারিখ ১ জুলাই ২০২৬, দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৬৫, ৩৮৬, ৩৮৭, ৩৪২ ও ৩৪ ধারায় রুজু হয়েছে।মামলার তদন্ত করছেন হাকিমপুর থানার এসআই (নিঃ) মো. শামীম মিয়া। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এই সংস্করণটি সরাসরি পত্রিকা বা অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশের উপযোগী।

আপনার মতামত লিখুন