অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে গেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ—সিআইডি। অবৈধ জুয়ার সঙ্গে জড়িত ১১৬টি ওয়েবসাইট ও অ্যাপস বন্ধের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে তালিকা পাঠানো হয়েছে।রোববার সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।তিনি বলেন, ১ মে থেকে পরিচালিত সাইবার প্যাট্রলিংয়ে এসব ওয়েবসাইট শনাক্ত করা হয়। একই সঙ্গে অনলাইন জুয়ার অর্থ লেনদেনে ব্যবহৃত ৮৭৯টি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ৪৩টি হিসাব বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন , সাত জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, বাড়তে পারে রাতের গরম
সিআইডি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আটজন চারটি অনলাইন জুয়ার সাইট পরিচালনা করতেন। তাদের মাধ্যমে প্রতিদিন দুই কোটিরও বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হতো।এই অর্থের বড় অংশ হুন্ডি ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।গ্রেপ্তারদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নরসিংদী, লক্ষ্মীপুর ও ঢাকার কয়েকজন রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে মামলা হয়েছে।সিআইডি আরও জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায় পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে চক্রটির আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ও ক্রিপ্টো ওয়ালেট শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন , শিগগিরই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
বিষয় : অভিযান অপরাধ অনলাইন জুয়া

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে গেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ—সিআইডি। অবৈধ জুয়ার সঙ্গে জড়িত ১১৬টি ওয়েবসাইট ও অ্যাপস বন্ধের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে তালিকা পাঠানো হয়েছে।রোববার সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।তিনি বলেন, ১ মে থেকে পরিচালিত সাইবার প্যাট্রলিংয়ে এসব ওয়েবসাইট শনাক্ত করা হয়। একই সঙ্গে অনলাইন জুয়ার অর্থ লেনদেনে ব্যবহৃত ৮৭৯টি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ৪৩টি হিসাব বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন , সাত জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, বাড়তে পারে রাতের গরম
সিআইডি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আটজন চারটি অনলাইন জুয়ার সাইট পরিচালনা করতেন। তাদের মাধ্যমে প্রতিদিন দুই কোটিরও বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হতো।এই অর্থের বড় অংশ হুন্ডি ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।গ্রেপ্তারদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নরসিংদী, লক্ষ্মীপুর ও ঢাকার কয়েকজন রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে মামলা হয়েছে।সিআইডি আরও জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায় পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে চক্রটির আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ও ক্রিপ্টো ওয়ালেট শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন , শিগগিরই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

আপনার মতামত লিখুন