দেশে অবৈধ অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে সিআইডি। সংস্থাটি ১১৬টি জুয়ার ওয়েবসাইট ও অ্যাপস শনাক্ত করে তা বন্ধের জন্য বিটিআরসিতে তালিকা পাঠিয়েছে।
আরও পড়ুন, সীমান্ত দিয়ে দেশে ঢোকার সময় সাবেক পররাষ্ট্র ডিজি সাব্বির বিন শামস আটক
রোববার রাজধানীর মালিবাগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডি প্রধান।
আরও পড়ুন, দুই দিনের সফরে বাংলাদেশে কাতারের শ্রমমন্ত্রী আল মাররি
তিনি জানান, গত ১ মে থেকে সাইবার ইউনিট এসব সাইট শনাক্ত করে। একই সঙ্গে ৮৭৯টি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট এবং ৪৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করে অর্থনৈতিক গোয়েন্দা ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। সিআইডি আরও জানায়, অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, বাকেরগঞ্জ থানায় উত্তেজনা, আসামিকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ
তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করত বলে তদন্তে জানা গেছে। অবৈধ অর্থ বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সংগ্রহ করে পরে বিদেশে পাচার করা হতো। সিআইডি বলছে, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এই চক্রের নেটওয়ার্ক শনাক্ত ও অর্থ উদ্ধারের কাজ চলছে।
বিষয় : সিআইডি বিটিআরসি জুয়া ওয়েবসাইট বন্ধ

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
দেশে অবৈধ অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে সিআইডি। সংস্থাটি ১১৬টি জুয়ার ওয়েবসাইট ও অ্যাপস শনাক্ত করে তা বন্ধের জন্য বিটিআরসিতে তালিকা পাঠিয়েছে।
আরও পড়ুন, সীমান্ত দিয়ে দেশে ঢোকার সময় সাবেক পররাষ্ট্র ডিজি সাব্বির বিন শামস আটক
রোববার রাজধানীর মালিবাগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডি প্রধান।
আরও পড়ুন, দুই দিনের সফরে বাংলাদেশে কাতারের শ্রমমন্ত্রী আল মাররি
তিনি জানান, গত ১ মে থেকে সাইবার ইউনিট এসব সাইট শনাক্ত করে। একই সঙ্গে ৮৭৯টি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট এবং ৪৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করে অর্থনৈতিক গোয়েন্দা ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। সিআইডি আরও জানায়, অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, বাকেরগঞ্জ থানায় উত্তেজনা, আসামিকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ
তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করত বলে তদন্তে জানা গেছে। অবৈধ অর্থ বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সংগ্রহ করে পরে বিদেশে পাচার করা হতো। সিআইডি বলছে, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এই চক্রের নেটওয়ার্ক শনাক্ত ও অর্থ উদ্ধারের কাজ চলছে।

আপনার মতামত লিখুন