রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের হাসপাতালপাড়া ঘিরে ভয়ংকর চাঁদাবাজি সিন্ডিকেটের অভিযোগ সামনে এসেছে। সরকারি হাসপাতালকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল থেকে মাসিক লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ‘মঈন বাহিনী’ নামে একটি চক্রের বিরুদ্ধে।অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন যুবদলের নামধারী মঈন উদ্দিন। জানা গেছে, শ্যামলীর সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে মাসে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তবে
আরো পড়ুন , উত্তরায় পুলিশের নাকের ডগায় গ্রান্ড প্লাজায় সোহেলের অসামাজিক কার্যক্রম
তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।স্থানীয় সূত্র বলছে, শুধু হাসপাতাল নয়—স্ট্রিট ফুড দোকান, অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা, আবাসিক হোটেল, জমি দখল এমনকি মাদক কারবারেও প্রভাব বিস্তার করেছিল এই চক্র।অভিযোগ রয়েছে, আগারগাঁওয়ের প্রায় ৩০০ ভাসমান স্ট্রিট ফুড দোকান থেকেও মাসিক চাঁদা তোলা হতো। চাঁদা না দিলে ব্যবসা বন্ধ, হামলা বা প্রতিষ্ঠান দখলের ভয় দেখানো হতো।এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা হওয়ার পর মঈন উদ্দিনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আদালত তাঁর চার সহযোগীর চার দিনের রিমান্ডও মঞ্জুর করেছেন।পুলিশ বলছে, তদন্ত চলছে এবং অভিযোগের নেপথ্যে আরও কারও সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।প্রশ্ন উঠছে—হাসপাতালপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলা এই চাঁদাবাজির নেপথ্যে কারা? আর গ্রেপ্তারের পর কি বন্ধ হবে ভয় আর দখলবাজির এই সিন্ডিকেট?

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের হাসপাতালপাড়া ঘিরে ভয়ংকর চাঁদাবাজি সিন্ডিকেটের অভিযোগ সামনে এসেছে। সরকারি হাসপাতালকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল থেকে মাসিক লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ‘মঈন বাহিনী’ নামে একটি চক্রের বিরুদ্ধে।অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন যুবদলের নামধারী মঈন উদ্দিন। জানা গেছে, শ্যামলীর সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে মাসে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তবে
আরো পড়ুন , উত্তরায় পুলিশের নাকের ডগায় গ্রান্ড প্লাজায় সোহেলের অসামাজিক কার্যক্রম
তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।স্থানীয় সূত্র বলছে, শুধু হাসপাতাল নয়—স্ট্রিট ফুড দোকান, অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা, আবাসিক হোটেল, জমি দখল এমনকি মাদক কারবারেও প্রভাব বিস্তার করেছিল এই চক্র।অভিযোগ রয়েছে, আগারগাঁওয়ের প্রায় ৩০০ ভাসমান স্ট্রিট ফুড দোকান থেকেও মাসিক চাঁদা তোলা হতো। চাঁদা না দিলে ব্যবসা বন্ধ, হামলা বা প্রতিষ্ঠান দখলের ভয় দেখানো হতো।এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা হওয়ার পর মঈন উদ্দিনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আদালত তাঁর চার সহযোগীর চার দিনের রিমান্ডও মঞ্জুর করেছেন।পুলিশ বলছে, তদন্ত চলছে এবং অভিযোগের নেপথ্যে আরও কারও সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।প্রশ্ন উঠছে—হাসপাতালপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলা এই চাঁদাবাজির নেপথ্যে কারা? আর গ্রেপ্তারের পর কি বন্ধ হবে ভয় আর দখলবাজির এই সিন্ডিকেট?

আপনার মতামত লিখুন