স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে দেশের রাজনীতিতে দেখা দিয়েছে নতুন সমীকরণ। জাতীয় নির্বাচনে একসঙ্গে পথচলার ইঙ্গিত থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে আলাদা কৌশলে এগোচ্ছে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি। ফলে ১১ দলীয় জোটের ভেতরে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা।জানা গেছে, ইতোমধ্যে দুই দলই পৃথকভাবে প্রার্থী ঘোষণা ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু করেছে। এতে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—স্থানীয় নির্বাচনে কি জোটের ভেতরে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে?জামায়াত নেতারা বলছেন, স্থানীয় সরকার
নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মতো জোটগত হবে না। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম জানিয়েছেন, স্থানীয় নির্বাচন দলগতভাবেই হবে এবং দলীয় প্রতীকেও হবে না।অন্যদিকে এনসিপিও এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তাদের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং সে লক্ষ্যেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হচ্ছে।তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী রাজনৈতিক বোঝাপড়ার সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ নয় বলেও
আরো পড়ুন , “ফ্যাসিস্টদের প্রতি নরম হওয়া যাবে না” : আসিফ মাহমুদ
জানিয়েছেন তিনি।এদিকে ১১ দলীয় জোটের শরিকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বলছেন স্থানীয় নির্বাচন জোটগত হওয়া উচিত, আবার কেউ একক নির্বাচনের মাধ্যমে দলগুলোর সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের পক্ষে মত দিয়েছেন।সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন Tarique Rahman চলতি বছরের শেষ দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ইঙ্গিত দেওয়ার পর থেকেই মাঠে সক্রিয়তা বাড়িয়েছে দলগুলো।ইতোমধ্যে এনসিপি শতাধিক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে জামায়াতও মাঠে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সক্রিয় রেখেছে। এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের বড় প্রশ্ন—স্থানীয় নির্বাচনের এই ভিন্ন কৌশল কি জাতীয় নির্বাচনের জোট রাজনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে?

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে দেশের রাজনীতিতে দেখা দিয়েছে নতুন সমীকরণ। জাতীয় নির্বাচনে একসঙ্গে পথচলার ইঙ্গিত থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে আলাদা কৌশলে এগোচ্ছে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি। ফলে ১১ দলীয় জোটের ভেতরে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা।জানা গেছে, ইতোমধ্যে দুই দলই পৃথকভাবে প্রার্থী ঘোষণা ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু করেছে। এতে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—স্থানীয় নির্বাচনে কি জোটের ভেতরে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে?জামায়াত নেতারা বলছেন, স্থানীয় সরকার
নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মতো জোটগত হবে না। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম জানিয়েছেন, স্থানীয় নির্বাচন দলগতভাবেই হবে এবং দলীয় প্রতীকেও হবে না।অন্যদিকে এনসিপিও এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তাদের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং সে লক্ষ্যেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হচ্ছে।তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী রাজনৈতিক বোঝাপড়ার সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ নয় বলেও
আরো পড়ুন , “ফ্যাসিস্টদের প্রতি নরম হওয়া যাবে না” : আসিফ মাহমুদ
জানিয়েছেন তিনি।এদিকে ১১ দলীয় জোটের শরিকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বলছেন স্থানীয় নির্বাচন জোটগত হওয়া উচিত, আবার কেউ একক নির্বাচনের মাধ্যমে দলগুলোর সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের পক্ষে মত দিয়েছেন।সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন Tarique Rahman চলতি বছরের শেষ দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ইঙ্গিত দেওয়ার পর থেকেই মাঠে সক্রিয়তা বাড়িয়েছে দলগুলো।ইতোমধ্যে এনসিপি শতাধিক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে জামায়াতও মাঠে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সক্রিয় রেখেছে। এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের বড় প্রশ্ন—স্থানীয় নির্বাচনের এই ভিন্ন কৌশল কি জাতীয় নির্বাচনের জোট রাজনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে?

আপনার মতামত লিখুন