ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের মৌসুম শুরু হতেই আবারও ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়েছে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা। উত্তাল ঢেউয়ে প্রতিদিনই ভাঙছে সৈকতের পূর্ব অংশের বিস্তীর্ণ এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ—দশকের পর দশক ধরে ভাঙন চললেও কার্যকর কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈকত রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের একাধিক প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হলেও চারবার তা ফেরত পাঠানো হয়েছে। ফলে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের মৌসুম এলেই সমুদ্র আরও ভয়ংকর রূপ নিয়ে লোকালয়ের দিকে ধেয়ে আসছে।স্থানীয়দের দাবি, গত ৫০ বছরে অন্তত তিন কিলোমিটার এলাকা গিলে খেয়েছে বঙ্গোপসাগর। এরই মধ্যে বিলীন হয়ে গেছে নারিকেল বাগান,
আরও পড়ুন , এসএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র না দেখানোয় সহপাঠীর ঘুষিতে পরীক্ষার্থী আহত
ঝাউবন, গেস্টহাউজ, হোটেল-মোটেল ও বহু বসতভিটা।পর্যটন ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা বলছেন, কয়েক বছর আগে জিও টিউব ও জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে। উল্টো সৈকতের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ায় পর্যটনের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, নতুন একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে কয়েক হাজার জিও ব্যাগ ফেলার কাজও শুরু হবে।তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন—প্রতিবছর ভাঙন বাড়লেও কেন এখনো টেকসই সাগর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হলো না? কুয়াকাটার অস্তিত্ব রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ চান তারা।
আরও পড়ুন , আবারও উত্তাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
বিষয় : কুয়াকাটা ভাঙন জলোচ্ছ্বাস

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের মৌসুম শুরু হতেই আবারও ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়েছে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা। উত্তাল ঢেউয়ে প্রতিদিনই ভাঙছে সৈকতের পূর্ব অংশের বিস্তীর্ণ এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ—দশকের পর দশক ধরে ভাঙন চললেও কার্যকর কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈকত রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের একাধিক প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হলেও চারবার তা ফেরত পাঠানো হয়েছে। ফলে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের মৌসুম এলেই সমুদ্র আরও ভয়ংকর রূপ নিয়ে লোকালয়ের দিকে ধেয়ে আসছে।স্থানীয়দের দাবি, গত ৫০ বছরে অন্তত তিন কিলোমিটার এলাকা গিলে খেয়েছে বঙ্গোপসাগর। এরই মধ্যে বিলীন হয়ে গেছে নারিকেল বাগান,
আরও পড়ুন , এসএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র না দেখানোয় সহপাঠীর ঘুষিতে পরীক্ষার্থী আহত
ঝাউবন, গেস্টহাউজ, হোটেল-মোটেল ও বহু বসতভিটা।পর্যটন ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা বলছেন, কয়েক বছর আগে জিও টিউব ও জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে। উল্টো সৈকতের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ায় পর্যটনের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, নতুন একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে কয়েক হাজার জিও ব্যাগ ফেলার কাজও শুরু হবে।তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন—প্রতিবছর ভাঙন বাড়লেও কেন এখনো টেকসই সাগর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হলো না? কুয়াকাটার অস্তিত্ব রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ চান তারা।
আরও পড়ুন , আবারও উত্তাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

আপনার মতামত লিখুন