চালক ও সুপারভাইজারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মেহেরপুর–চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক সড়কে বাস ধর্মঘট শুরু হয়েছে। এতে পুরো রুটে বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।জেলা বাস মালিক ও মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোমবার (৪ মে) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এ ধর্মঘট কার্যকর করা হয়।শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল দুপুরে মেহেরপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি বাস আমঝুপি বাজার এলাকায় পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়।এরপর মোটরসাইকেল আরোহী রাব্বি নামের এক ব্যক্তি বাসচালক সোহেল রানা ও সুপারভাইজারকে মারধর করেন বলে দাবি করা হয়।
আরও পড়ুন , বাউফলে ঢাকা–গামী বাস খাদে পড়ে নিহত ১, আহত অন্তত ১০
ঘটনার পর শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সংগঠনের সিদ্ধান্তে ধর্মঘট আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।মেহেরপুর জেলা বাস মালিক ও মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা জানান, শ্রমিকদের ওপর হামলার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল স্বাভাবিক হবে না।এ ঘটনায় সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকেই বাধ্য হয়ে ইজিবাইক, ভ্যানসহ বিকল্প যানবাহনে বেশি ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করছেন।শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান ও সভাপতি আহসান হাবীব সোনা জানিয়েছেন, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
চালক ও সুপারভাইজারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মেহেরপুর–চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক সড়কে বাস ধর্মঘট শুরু হয়েছে। এতে পুরো রুটে বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।জেলা বাস মালিক ও মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোমবার (৪ মে) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এ ধর্মঘট কার্যকর করা হয়।শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল দুপুরে মেহেরপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি বাস আমঝুপি বাজার এলাকায় পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়।এরপর মোটরসাইকেল আরোহী রাব্বি নামের এক ব্যক্তি বাসচালক সোহেল রানা ও সুপারভাইজারকে মারধর করেন বলে দাবি করা হয়।
আরও পড়ুন , বাউফলে ঢাকা–গামী বাস খাদে পড়ে নিহত ১, আহত অন্তত ১০
ঘটনার পর শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সংগঠনের সিদ্ধান্তে ধর্মঘট আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।মেহেরপুর জেলা বাস মালিক ও মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা জানান, শ্রমিকদের ওপর হামলার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল স্বাভাবিক হবে না।এ ঘটনায় সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকেই বাধ্য হয়ে ইজিবাইক, ভ্যানসহ বিকল্প যানবাহনে বেশি ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করছেন।শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান ও সভাপতি আহসান হাবীব সোনা জানিয়েছেন, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন