ভিজিএফের খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলে রাজবাড়ী জেলায় বিক্ষোভ করেছেন অর্ধশতাধিক জেলে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে তারা এই বিক্ষোভ করেন।বিক্ষোভকারী জেলেরা জানান, জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আগে প্রত্যেক নিবন্ধিত জেলেকে ৮০ কেজি করে চাল দেওয়া হতো। কিন্তু চলতি বছর তালিকাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও তারা এই সহায়তা পাননি।ক্ষোভ প্রকাশ করে জেলে বিশ্বনাথ মন্ডল, নিতাই মন্ডল, সুরঞ্জন সরকার, অক্ষয় মন্ডল, অজিত বিশ্বাস ও কার্তিক সরদার বলেন, “আমরা বহুবার পৌরসভায় গিয়েছি, কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। প্রকৃত জেলেদের বাদ দিয়ে অন্য পেশার লোকদের চাল দেওয়া হচ্ছে।”তাদের দাবি, আগে পৌরসভায় ১৫৭ জন জেলে চাল পেতেন। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমিয়ে ৮৭ জনে নামিয়ে আনা হয়েছে,
আরো পড়ুন , গেট খোলা থাকায় ট্রেন - ট্রাক সংঘর্ষ, আহত -২
এবং তালিকায় অপ্রাসঙ্গিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।জেলার মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির উপদেষ্টা শচীন্দ্রননাথ সরকার অভিযোগ করেন, অনিয়মের মাধ্যমে প্রকৃত জেলেদের বঞ্চিত করা হয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজবাড়ী সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সরদার। তিনি বলেন, “এ বছর বরাদ্দ কম এসেছে। সদর উপজেলায় ৪ হাজার ২৪১ জন নিবন্ধিত জেলে থাকলেও মাত্র ১ হাজার ৪৩০ জনের জন্য চাল বরাদ্দ এসেছে। তাই সবার মাঝে বিতরণ সম্ভব হয়নি।”এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি আরও জানান, বিক্ষোভকারী জেলেদের বিকল্প সহায়তা হিসেবে জিআর কর্মসূচির আওতায় চাল দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আবেদন করলে তারা এই সহায়তা পাবেন বলেও জানান তিনি।
বিষয় : বিক্ষোভ জেলেনস্কি খাদ্য সহায়তা

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
ভিজিএফের খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলে রাজবাড়ী জেলায় বিক্ষোভ করেছেন অর্ধশতাধিক জেলে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে তারা এই বিক্ষোভ করেন।বিক্ষোভকারী জেলেরা জানান, জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আগে প্রত্যেক নিবন্ধিত জেলেকে ৮০ কেজি করে চাল দেওয়া হতো। কিন্তু চলতি বছর তালিকাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও তারা এই সহায়তা পাননি।ক্ষোভ প্রকাশ করে জেলে বিশ্বনাথ মন্ডল, নিতাই মন্ডল, সুরঞ্জন সরকার, অক্ষয় মন্ডল, অজিত বিশ্বাস ও কার্তিক সরদার বলেন, “আমরা বহুবার পৌরসভায় গিয়েছি, কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। প্রকৃত জেলেদের বাদ দিয়ে অন্য পেশার লোকদের চাল দেওয়া হচ্ছে।”তাদের দাবি, আগে পৌরসভায় ১৫৭ জন জেলে চাল পেতেন। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমিয়ে ৮৭ জনে নামিয়ে আনা হয়েছে,
আরো পড়ুন , গেট খোলা থাকায় ট্রেন - ট্রাক সংঘর্ষ, আহত -২
এবং তালিকায় অপ্রাসঙ্গিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।জেলার মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির উপদেষ্টা শচীন্দ্রননাথ সরকার অভিযোগ করেন, অনিয়মের মাধ্যমে প্রকৃত জেলেদের বঞ্চিত করা হয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজবাড়ী সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সরদার। তিনি বলেন, “এ বছর বরাদ্দ কম এসেছে। সদর উপজেলায় ৪ হাজার ২৪১ জন নিবন্ধিত জেলে থাকলেও মাত্র ১ হাজার ৪৩০ জনের জন্য চাল বরাদ্দ এসেছে। তাই সবার মাঝে বিতরণ সম্ভব হয়নি।”এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি আরও জানান, বিক্ষোভকারী জেলেদের বিকল্প সহায়তা হিসেবে জিআর কর্মসূচির আওতায় চাল দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আবেদন করলে তারা এই সহায়তা পাবেন বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন