বরখাস্ত হওয়া কয়েকজন আওয়ামী পুলিশ সদস্যদের চাকরি দিয়েছে ফর্টিস গ্রুপ। অবৈধ জমি দখল, অবৈধ সম্পদ অর্জন, একাধিক অভিযোগ। ঢাকা গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে বেশ পরিচিত একটি গ্রুপ অফ কোম্পানি ফর্টিস গ্রুপ। আওয়ামী লীগের আমল থেকেই বড় বড় কর্তাদের ছত্রছায়ায়, নানান অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। উপদেষ্টা সরকারের সময়ও ছিলেন একই ফর্মে।
আবার এখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরও আওয়ামী তন্ত্রেই অফিসে ধরে রেখেছেন ফর্টিস গ্রুপের কর্তৃপক্ষ তথা এমডি শাহাদাত হোসেন। জানা যায়, উপদেষ্টা সরকারের আমলে বরখাস্ত হওয়া আওয়ামী ছয় পুলিশ সদস্যের মধ্যে চারজনকে ভালো বেতনে চাকরি দিয়েছে ফটিস গ্রুপ। আবার সব সেক্টরে সমন্বয় করেন সাবেক এই চার পুলিশ সদস্য। তথ্য সুত্রে আরও জানা যায়, এটা পুলিশ সদস্যের হুকুমে ইতিমধ্যেই কোম্পানিটিতে বিনা নোটিশে অনেক কর্মচারীকে ছাটাই করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, সাভারে আবাসিক হোটেল ঢাকা ইন এর সাথে পুলিশের বাণিজ্য
এছাড়া নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে ল্যান্ডের বিজনেসের নামে করেছেন জমি দখল।একাধিক ভুক্তভোগী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ৩০ শতাংশ জমি কিনে, সালেহা বেগমের আরো ৬০ শতাংশ জবর দখল করেছেন এই গ্রুপের কর্মচারীরা। নিজেদের কোম্পানির নামে লাগিয়েছেন সাইনবোর্ড। ইতিমধ্যে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় কর্মকর্তা কর্মচারীদের নামে হয়েছে অভিযোগ।
আরও পড়ুন, ঘুষ ছাড়া দলিল স্বাক্ষর হয়না গাজীপুর সাব- রেজিস্ট্রি ভবনে, নাচের পুতুল সাব-রেজিস্টার
কোম্পানিটির কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, একাধিক সাংবাদিক আমাদের পরিচিত। জমি দখল করলে সমস্যা কি। স্থানীয়রা বলছেন, আওয়ামী তন্ত্রের মত একই শাসন করছে এই গ্রুপটি। আওয়ামী লীগের আমলের বিভিন্ন ব্যক্তিদেরকে চাকরি দিয়ে পুনরায় শুরু করেছে অবৈধভাবে জমি দখলের বাণিজ্য। তাদের এই বিরুদ্ধে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ ও মানববন্ধন হয়েছে। এবার আর মানববন্ধন নয় প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না করলে,সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাওয়ার ও হুমকি দেন স্থানীয় ব্যক্তিরা। তবে এবিষয়ে তাদের সাথে এশাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে কারো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বিষয় : জমি দখল ফর্টিস গ্রুপ

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
বরখাস্ত হওয়া কয়েকজন আওয়ামী পুলিশ সদস্যদের চাকরি দিয়েছে ফর্টিস গ্রুপ। অবৈধ জমি দখল, অবৈধ সম্পদ অর্জন, একাধিক অভিযোগ। ঢাকা গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে বেশ পরিচিত একটি গ্রুপ অফ কোম্পানি ফর্টিস গ্রুপ। আওয়ামী লীগের আমল থেকেই বড় বড় কর্তাদের ছত্রছায়ায়, নানান অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। উপদেষ্টা সরকারের সময়ও ছিলেন একই ফর্মে।
আবার এখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরও আওয়ামী তন্ত্রেই অফিসে ধরে রেখেছেন ফর্টিস গ্রুপের কর্তৃপক্ষ তথা এমডি শাহাদাত হোসেন। জানা যায়, উপদেষ্টা সরকারের আমলে বরখাস্ত হওয়া আওয়ামী ছয় পুলিশ সদস্যের মধ্যে চারজনকে ভালো বেতনে চাকরি দিয়েছে ফটিস গ্রুপ। আবার সব সেক্টরে সমন্বয় করেন সাবেক এই চার পুলিশ সদস্য। তথ্য সুত্রে আরও জানা যায়, এটা পুলিশ সদস্যের হুকুমে ইতিমধ্যেই কোম্পানিটিতে বিনা নোটিশে অনেক কর্মচারীকে ছাটাই করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, সাভারে আবাসিক হোটেল ঢাকা ইন এর সাথে পুলিশের বাণিজ্য
এছাড়া নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে ল্যান্ডের বিজনেসের নামে করেছেন জমি দখল।একাধিক ভুক্তভোগী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ৩০ শতাংশ জমি কিনে, সালেহা বেগমের আরো ৬০ শতাংশ জবর দখল করেছেন এই গ্রুপের কর্মচারীরা। নিজেদের কোম্পানির নামে লাগিয়েছেন সাইনবোর্ড। ইতিমধ্যে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় কর্মকর্তা কর্মচারীদের নামে হয়েছে অভিযোগ।
আরও পড়ুন, ঘুষ ছাড়া দলিল স্বাক্ষর হয়না গাজীপুর সাব- রেজিস্ট্রি ভবনে, নাচের পুতুল সাব-রেজিস্টার
কোম্পানিটির কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, একাধিক সাংবাদিক আমাদের পরিচিত। জমি দখল করলে সমস্যা কি। স্থানীয়রা বলছেন, আওয়ামী তন্ত্রের মত একই শাসন করছে এই গ্রুপটি। আওয়ামী লীগের আমলের বিভিন্ন ব্যক্তিদেরকে চাকরি দিয়ে পুনরায় শুরু করেছে অবৈধভাবে জমি দখলের বাণিজ্য। তাদের এই বিরুদ্ধে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ ও মানববন্ধন হয়েছে। এবার আর মানববন্ধন নয় প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না করলে,সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাওয়ার ও হুমকি দেন স্থানীয় ব্যক্তিরা। তবে এবিষয়ে তাদের সাথে এশাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে কারো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন