মায়ামিতে স্কটল্যান্ড সমর্থকদের দখল, ব্রাজিল ম্যাচের আগেই ‘বিশ্বকাপ পার্টি জোন
মায়ামির ওশান ড্রাইভ এখন যেন ফুটবলপ্রেমীদের এক বিশাল উৎসবমঞ্চ। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচকে সামনে রেখে স্কটল্যান্ডের সমর্থকরা শহরটিকে রীতিমতো লাল-নীল উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে দিচ্ছেন। হাতে স্কটল্যান্ডের পতাকা, মুখে দলীয় গান, আর রাস্তাজুড়ে আনন্দমুখর পদচারণায় “টার্টান আর্মি” এখন মায়ামির প্রধান আকর্ষণ।প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্কটিশ সমর্থকেরা কেবল ম্যাচ দেখতে মায়ামিতে আসেননি; তারা পুরো শহরকেই যেন বিশ্বকাপের ফ্যান ফেস্টে পরিণত করেছেন। বোস্টনের পর এবার মায়ামি তাদের নতুন ঠিকানা। আর সেখানে শুরু হয়েছে আরেক দফা ‘স্কটম্যাক্সিং’—অর্থাৎ স্কটল্যান্ড সমর্থকদের এমন এক দখলদার উচ্ছ্বাস, যেখানে রাস্তা, বার, ফ্যান জোন—সবকিছুই ভরে উঠেছে গান, পতাকা আর উল্লাসে।মায়ামির ডাউনটাউন এলাকার ‘অল্ড ডাবলিনার’ বারের আশপাশে সবচেয়ে বড় সমাবেশ দেখা গেছে। শুধু স্কটিশ সমর্থকরাই নন, স্থানীয় অনেক মানুষও এই উচ্ছ্বাসে যোগ দিয়েছেন। অনেকে বলছেন, বহুদিন পর শহরের কেন্দ্র এতটা প্রাণবন্ত, রঙিন এবং উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে।আরও পড়ুন, পেনাল্টি মিসের পরও নায়ক মেসি, আর্জেন্টিনার জয়ে গড়লেন নতুন রেকর্ডপ্রচণ্ড গরম আবহাওয়াও স্কটল্যান্ড সমর্থকদের থামাতে পারেনি। কেউ বলছেন, ‘গরম তো আছেই, কিন্তু আমরা তো উৎসবের মধ্যেই আছি।’ আবার কারও মতে, এই সফর শুধু ফুটবল ঘিরে নয়, এটি এক ধরনের সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতাও।এদিকে এই সমর্থক-জোয়ারে মায়ামির ব্যবসা-বাণিজ্যেও পড়েছে ইতিবাচক প্রভাব। বার ও রেস্তোরাঁগুলোতে বেড়েছে ভিড়, ফ্যান জোনে ঢুকতে দেখা গেছে দীর্ঘ লাইন, আর অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্কটিশ সমর্থকদের স্বাগত জানাতে বিশেষ আয়োজনও করেছে।অন্যদিকে ব্রাজিলের সমর্থকেরাও ধীরে ধীরে মায়ামিতে জড়ো হতে শুরু করেছেন। ফলে দুই দলের সমর্থকদের মিলিত উপস্থিতিতে শহরটি এখন এক বিশাল ফুটবল উৎসবের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ম্যাচের ফল যা-ই হোক, স্কটল্যান্ড সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে একটি বিষয় স্পষ্ট—ব্রাজিলের বিপক্ষে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই মায়ামির গ্যালারি, রাস্তা আর সমুদ্রতীর দখল করে নিয়েছে ‘টার্টান আর্মি’।