দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

হরমুজে নৌবাহিনী পাঠালে ‘গুরুতর পরিণতি’, দক্ষিণ কোরিয়াকে ইরানের সতর্কবার্তা

হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরে কোনো দেশের সামরিক উপস্থিতিকে আগ্রাসনে সরাসরি সহায়তা হিসেবে দেখবে ইরান। এমন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই।দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্যভাবে অবদান রাখার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে—এমন বক্তব্যের পরই তেহরানের পক্ষ থেকে এ সতর্কবার্তা এলো।ইরানি মুখপাত্র বলেন, ইরান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সম্মান রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার সময় পারস্য উপসাগর কিংবা হরমুজ প্রণালিতে কোনো দেশ সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখলে বা সামরিক অভিযানে অংশ নিলে, সেটিকে আগ্রাসনে সরাসরি সহায়তা হিসেবে বিবেচনা করবে ইরান।এ ধরনের পদক্ষেপের কারণে সংশ্লিষ্ট দেশকে গুরুতর পরিণতির মুখে পড়তে হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।আরও  পড়ুন, প্যারিসের বিস্ফোরণে প্রাণ গেল সাড়ে ৩ বছরের নাহিলের, তিন মাস আগেই এসেছিল গ্রামেএকই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকির কাছে কোনো সার্বভৌম ও দায়িত্বশীল দেশের নতি স্বীকার করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন বাঘেই। দক্ষিণ কোরিয়াকে ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কথিত আগ্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ার আহ্বানও জানান তিনি।এদিকে হরমুজ প্রণালিতে নৌবাহিনী মোতায়েনের জন্য দক্ষিণ কোরিয়া ‘চূড়ান্ত ও বাস্তব প্রস্তুতি’ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা।প্রস্তাবিত মোতায়েনের অংশ হিসেবে পি-৮ সামুদ্রিক টহল বিমান, বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণে বিশেষজ্ঞ একটি দল এবং একটি লজিস্টিক সহায়তা জাহাজ রাখার পরিকল্পনার কথা জানা গেছে।ফলে হরমুজ প্রণালিতে সম্ভাব্য দক্ষিণ কোরীয় সামরিক উপস্থিতি ঘিরে ইরান-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্কের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

হরমুজে নৌবাহিনী পাঠালে ‘গুরুতর পরিণতি’, দক্ষিণ কোরিয়াকে ইরানের সতর্কবার্তা