দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

ঈদের দীর্ঘ ছুটিতেও ফাঁকা কুয়াকাটা, হতাশ পর্যটন ব্যবসায়ীরা

ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটিকে ঘিরে পর্যটকে মুখর হয়ে ওঠার কথা ছিল দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটা। তবে প্রত্যাশার বিপরীতে এবার ঈদের ছুটিতেও পর্যটকের দেখা মেলেনি আশানুরূপ। ফলে হতাশা নেমে এসেছে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে।আরও পড়ুন, সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কসবার রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যুপর্যটন সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের ঈদে কুয়াকাটায় চার থেকে পাঁচ লাখ পর্যটক আসার আশা করা হয়েছিল। সেই লক্ষ্যে হোটেল-মোটেল সংস্কার, বিশেষ ছাড় এবং নানা প্রস্তুতিও নেওয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত পর্যটক এসেছে প্রায় দুই লাখ, যা প্রত্যাশার অর্ধেকেরও কম।আরও পড়ুন, পাঁচবিবিতে মাদক প্রতিরোধে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাব্বির উদ্যোগে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজনসরেজমিনে দেখা গেছে, জিরো পয়েন্ট, ছাতা-বেঞ্চ এলাকা এবং গঙ্গামতির চর— কোথাও নেই আগের বছরের মতো উপচে পড়া ভিড়। বেশিরভাগ দর্শনার্থীই ছিলেন আশপাশের এলাকার ডে-ট্যুরিস্ট, যারা দিনে এসে দিনেই ফিরে গেছেন। এর প্রভাব পড়েছে পুরো পর্যটন অর্থনীতিতে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, ঝিনুক মার্কেট, শুঁটকি পল্লী এবং রাখাইন মার্কেটের ব্যবসায়ীরা ক্রেতাশূন্য সময় পার করছেন। ব্যবসায়ীদের মতে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, অতিরিক্ত গরম এবং সৈকতের ভাঙন পরিস্থিতি পর্যটক কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ।আরও পড়ুন, মহেশপুরে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণকুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, ঈদের পর চারদিনে মাত্র দুই লাখ পর্যটক এসেছে, যা তাদের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। অন্যদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশ জানিয়েছে, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।আরও পড়ুন, কসবা-আখাউড়ার নদ নদীতে কোরবানির পশুর চামড়া ফেলে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা, জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখেপ্রশাসনের পক্ষ থেকে সৈকতের সৌন্দর্যবর্ধন, ভাঙা স্থাপনা অপসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, পর্যটক সংকট অব্যাহত থাকলে কুয়াকাটার পর্যটন শিল্প বড় ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

ঈদের দীর্ঘ ছুটিতেও ফাঁকা কুয়াকাটা, হতাশ পর্যটন ব্যবসায়ীরা