ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কসবা উপজেলার রাজিব (১৮) নামে এক যুবক ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন আছেন।ইতিপূর্বে ৭০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও কর্মকর্তা জানিয়েছেন।কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাস ক সামিউল ইসলাম জানান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মানিত নাগরিকবৃন্দকে আরো সচেতন হতে হবে। বাড়ির আঙ্গিনা ফুলের টপ ড্রেন সহ মশা বাহিত সকল জায়গায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসন ও পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় মশা নুরুদের ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন।আরও পড়ুন, শ্রীপুরে চায়ের দোকানের সামনে ককটেল বিস্ফোরণডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একই সঙ্গে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার কামড় থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়ে তিনি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এডিস মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে। তারা নিয়মিত মশক নিধন অভিযান, ড্রেন পরিষ্কার এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।