সাভারের সুগন্ধা হাউজিংয়ের মালিকদের বিরুদ্ধে আবারও অন্যের জমি দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মান করার অভিযোগ উঠেছে। থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে ভবানীপুর পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ মোঃ ইমরান উপস্থিত হয়ে প্রাচীর নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়।থানার অভিযোগ ও জমির মালিকদের বক্তব্য থেকে জানা যায়, নগর কোন্ডা নিবাসী সাইফুল ইসলামের মেয়ে মেহেজাবিন ইসলাম নিন্ম তফসিল ভুক্ত জমির মালিকানা নিয়ে জেলা- ঢাকা, থানা ও সাব রেজিস্ট্রি অফিস সাভার অধীন চান্দুলিয়া মৌজাস্থিত সি. এস. ৭৮, এস. এ. ২২, আর, এস. ৮২ এবং বি. আর. এস. ৩৭৮ নং খতিয়ানের নামজারীকৃত ৮২৯ নং খতিয়ান ভুক্ত যাহার সি. এস. ও এস. এ. এবং আর. এস. ০৮ দাগের বি. আর. এস. ১ নং দাগের ৩০ শতাংশ সম্পত্তি নিয়া ঢাকায় বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ৪র্থ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা নং- ৬৫৬/১৭(যাহার পূর্ব নাম্বার দেঃ ২৪৬/১৫) দায়ের করেন যাহা বর্তমানে বিচারাধীন আছে।আরও পড়ুন, গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আলোচিত ৫ খুনের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ উদ্ধারউক্ত মামলায় বিগত ২৫/১০/২০১৫ইং তারিখে বিবাদী আলম চাঁন, সাং-এ৩/১ আলম নগর, সুগন্ধা হাউজিং, থানা- সাভার, জিলা- ঢাকার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা নিস্পত্তি না হওয়া তক্ নিষেধাজ্ঞা/স্থিতিবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিলে উপরোক্ত বিবাদী মোকদ্দমার সম্পত্তিতে বালু ভরাট করার চেষ্টা করে। ফলে উক্ত বিজ্ঞ আদালতে ৩৭/১৮ ভায়োলেশন মিস মোকদ্দমা দায়ের করা হয়। বর্তমানে আলম চাঁন এর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশগণ অর্থাৎ জাহাঙ্গীর আলম গং পিতাঃ আলম চাঁন, নালিশী সম্পত্তিতে গত ১৬/০৬/২০২৫ ইং তারিখে দুপুর আনুমানিক ১২:০০ ঘটিকার সময়ে উক্ত জমিতে বালু ভরাট করার পায়তারা করার চেষ্টা করলে তাদের নানাভাবে ভয়ভীতি ও প্রাননাশের হুমকি করেন।আরও পড়ুন, রায়পুরে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে বাধা, ক্ষুদ্ধ গ্রামবাসী, শিক্ষক, অভিভাবকদের মানববন্ধনইদানীং তারা আবারও মেহজাবিনের জমি দখল করার উদ্দেশ্য সীমানা প্রাচীর নির্মান শুরু করে, খবর পেয়ে তাদের বাধা দেয় মেহজাবিনের আত্মীয়রা এবং ভবানীপুর পুলিশ ফাঁড়িতে ফোন দিলে ফাড়ি ইনচার্জ মোঃ ইমরান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নির্মান কাজ বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং সুগন্ধা হাউজিং কতৃপক্ষের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার জন্য বারবার ফোন দিয়েও কথা বলতে পারেননি।আরও পড়ুন, বগুড়ায় পাথরের ট্রাক থেকে বুপ্রেনরফাইনযুক্ত ইঞ্জেকশনের এ্যাম্পুলসহ তিন মাদককারবারী গ্রেফতারজমির মালিক পক্ষের আব্দুর রৌফ বলেন, আমাদের নকসা অনুযায়ী ইতিপূর্বে মাপজোক করে সীমানা চিহ্নিত করে বাঁশ দিয়ে চিহ্নিত করে রাখা ছিলো , কিন্তু তারা আমাদের জমিতে ময়লা আবর্জনা ফেলে ভরাট করে সুকৌশলে দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মান করার উদ্যোগ নেয়। তারা যথাযথ কতৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে দখলকৃত জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য জোর দাবী জানান । স্থানীয়দের অভিযোগ সুগন্ধা হাউজিং অন্যের জমি দখল করা নতুন কিছু নয় প্রায় সময়ই তারা পাশের হাউজিং কতৃপক্ষের সাথে জমির সীমানা ও মালিকানা নিয়ে হামলা মামলার ঘটনা অহরহই ঘটিয়ে থাকে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।