রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে কালিয়াকৈরে অভিযান, উদ্ধার নকল সিগারেট ও তামাক
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অভিযান চালিয়ে স্ট্যাম্প-ব্যান্ডরোলবিহীন নকল সিগারেট, প্রসেসড টোব্যাকো ও সিগারেট তৈরির কাঁচামাল অ্যাসিটেট টো উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা। অভিযানে র্যাব-১ সদস্যরা সহায়তা করেন। এসব পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ ও সম্ভাব্য রাজস্ব ফাঁকির বিষয়টি তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।অবৈধ ও নকল সিগারেট উৎপাদনের অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় অভিযান চালায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর—সিআইআইডি।অভিযানে উদ্ধার করা হয় লাকি স্ট্রাইক, ডার্বি ও রয়্যালস ব্র্যান্ডের নকল সিগারেট। পাশাপাশি পাওয়া যায় প্রসেসড টোব্যাকো এবং সিগারেট তৈরির গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল অ্যাসিটেট টো।অভিযানে বিশেষভাবে নজরে আসে উদ্ধার করা সিগারেটের প্যাকেট। কাস্টমস গোয়েন্দার দাবি, এসব প্যাকেটে কোনো রাজস্ব স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল পাওয়া যায়নি।ফলে অবৈধভাবে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাত করে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আরও পড়ুন, কুমিল্লায় রাতভর মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ৫৬এর আগে কালিয়াকৈরের পাঁচগাছী এলাকায় শামস টোব্যাকোর বিরুদ্ধে ব্যান্ডরোলবিহীন বা নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগ ওঠে।তবে এবারের অভিযানে উদ্ধার হওয়া নকল সিগারেট, প্রসেসড টোব্যাকো ও অ্যাসিটেট টোর সঙ্গে শামস টোব্যাকোর সম্পৃক্ততা এখনো চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হয়নি।কাস্টমস গোয়েন্দা বলছে, উদ্ধার করা পণ্যের উৎস, উৎপাদন ও সরবরাহ চেইন, কাঁচামাল সংগ্রহের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।একই সঙ্গে সম্ভাব্য রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণও যাচাই করা হবে।তদন্তে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা এবং রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।অর্থাৎ, নকল সিগারেট উদ্ধারের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন—এসব পণ্য কোথায় তৈরি হয়েছে, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং এর মাধ্যমে কী পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা হয়েছে। তদন্ত শেষেই এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে।