ঘটনার পর যুক্তরাজ্যের কাউন্টার টেরর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালানোর সন্দেহে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।তবে পুলিশ জানিয়েছে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিমানঘাঁটির পাশের এলাকাটি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঘিরে রেখেছেন। পাশাপাশি আশপাশের বাড়িঘর থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।অভিযানে যুক্তরাজ্যের সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাদের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছেন।ঘটনাটি ঘটেছে আরএএফ ফেয়ারফোর্ডের কাছাকাছি এলাকায়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের দফতর জানিয়েছে তিনি পরিস্থিতির বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।সরকারের একজন মুখপাত্র জরুরি পরিষেবাগুলোর দ্রুত পদক্ষেপের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি বলেন কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।আড়ও পড়ুন,চীন থেকে আটলান্টায় যাচ্ছে দুই জায়ান্ট পান্ডাইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ারফোর্সের এই বিমানঘাঁটি মার্কিন সেনারা ব্যবহার করে আসছেন। সর্বশেষ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন মার্কিন সেনারা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।তবে এখন পর্যন্ত ঘটনার প্রকৃতি বা সম্ভাব্য হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাটি নিয়ে আরও তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।