ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জমে উঠতে শুরু করেছে অনলাইন পশুর হাট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে এখন নিয়মিত দেখা যাচ্ছে কোরবানির গরুর বিজ্ঞাপন, লাইভ ওজন, দরদাম ও বুকিং সুবিধা। ফলে প্রচলিত পশুর হাটের ভিড়, কাদা, যানজট ও দালালের ঝামেলা এড়িয়ে অনেকেই ঝুঁকছেন ডিজিটাল পশুর হাটের দিকে।আরও পড়ুন, অর্থপাচার মামলায় কঠোর পদক্ষেপ: লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতারখামারিরা বলছেন, গত কয়েক বছরের মতো এবারও অনলাইনে পশু বিক্রিতে ভালো সাড়া মিলছে। তবে পুরো গরু কেনার তুলনায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা তৈরি হয়েছে ‘শরিকানা’ কোরবানিতে। অর্থাৎ একটি গরু সর্বোচ্চ সাত ভাগে ভাগ করে কোরবানি দেওয়ার সুযোগ নিচ্ছেন অনেক ক্রেতা, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। অনলাইন হাটে ক্রেতারা ঘরে বসেই পশুর ছবি, ভিডিও, লাইভ ওজন ও স্বাস্থ্যগত তথ্য দেখতে পারছেন। পছন্দসই গরু নির্বাচন করে আগাম বুকিং নিশ্চিত করা যাচ্ছে। এরপর ঈদের আগের দিন বা ঈদের দিন সকালে খামার থেকেই সরাসরি গরু পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে গ্রাহকের বাসায়।আরও পড়ুন, হজযাত্রায় শোকের ছায়া, ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যুশুধু পশু সরবরাহই নয়, অনেক খামার এখন শরিকানা কোরবানির পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজও চালু করেছে। একজন ক্রেতা নিজের অংশ বুকিং করলে ঈদের দিন নিয়ম মেনে কোরবানি, মাংস কাটা, প্রস্তুত ও প্যাকেটজাত করে তা বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিচ্ছেন উদ্যোক্তারা।আরও পড়ুন, রক্তপাতহীন নির্বাচন চাই’ দলগুলোর প্রতি সিইসির কড়া বার্তারাজধানীর বনশ্রী এলাকার বাসিন্দা মোতালেব হোসেন জানান, গত তিন বছর ধরে তিনি অনলাইনে গরু কিনছেন। তার ভাষায়, অনলাইনে দামের খুব বেশি হেরফের হয় না এবং সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—আগেভাগে গরু কিনে খামারে রেখে দেওয়া যায়, ফলে বাসায় এনে লালন-পালনের ঝামেলা থাকে না। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে অনলাইন পশুর হাটে ক্রেতাদের আনাগোনা। প্রযুক্তিনির্ভর এই কেনাবেচা ব্যবস্থায় সময়, শ্রম ও ভোগান্তি কমায় শহুরে মানুষের কাছে এটি ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।