বিশ্বে শব্দদূষণে শীর্ষে ঢাকা, হর্নের দৌরাত্ম্যে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
রাজধানী ঢাকায় বায়ুদূষণের পাশাপাশি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে শব্দদূষণ। সড়কে অহেতুক হর্ন, হাইড্রোলিক হর্ন, ব্যক্তিগত গাড়িতে অবৈধ হুটার এবং মোটরসাইকেলের মডিফাইড সাইলেন্সারের কারণে প্রতিদিনই বাড়ছে শব্দের মাত্রা। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে নগরবাসীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে।জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির ‘ফ্রন্টিয়ার্স ২০২২’ প্রতিবেদনে শব্দদূষণে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহর হিসেবে উঠে এসেছে ঢাকা। যেখানে আবাসিক এলাকায় অনুমোদিত শব্দমাত্রা ৫৫ ডেসিবেল, সেখানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শব্দের মাত্রা পৌঁছেছে ১১৯ ডেসিবেল পর্যন্ত।রাজধানীর বিমানবন্দর, মহাখালী, বাড্ডা, গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ী, আরও পড়ুন, ঢাকা মেডিকেল চত্বরে দুই নারীর মৃত্যু, ময়নাতদন্তে মরদেহনিউমার্কেট, পুরান ঢাকা ও উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, যানজটে আটকে থাকা চালকদের মধ্যে যেন হর্ন বাজানোর প্রতিযোগিতা চলছে। শব্দহীন এলাকা ঘোষিত বিমানবন্দর এলাকাতেও মানা হচ্ছে না নিয়ম।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন উচ্চমাত্রার শব্দে থাকলে শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি অনিদ্রা, মানসিক চাপ, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে।এরই মধ্যে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন, হুটার ও বিকন লাইটের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। পাশাপাশি হর্ন নিয়ন্ত্রণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়েও কাজ চলছে।