দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

দেশের জ্বালানি মজুত মাত্র ৩ মাস, বড় ঝুঁকির সতর্কতা পিআরআই’র

দেশের জ্বালানি মজুত বর্তমানে মাত্র তিন মাসের চাহিদা মেটানোর মতো, যা একটি গুরুতর সীমাবদ্ধতা বলে সতর্ক করেছেন অর্থনীতিবিদরা। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এ মন্তব্য করেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআরআই)-এর চেয়ারম্যান জাইদী সাত্তার।তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলছে। পিআরআই চেয়ারম্যান জানান, বাংলাদেশের জ্বালানি মজুত সীমিত হওয়ায় যেকোনো বৈশ্বিক সংকট সরাসরি দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। একই সঙ্গে সার ও খাদ্যের দাম বাড়লে সামগ্রিক অর্থনীতি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।আরও পড়ুন, ফার্নিচার শিল্পে বাজেটে শুল্ক-ভ্যাট কমানোর প্রস্তাবতিনি আরও বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে করোনা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, সরবরাহ শৃঙ্খল সংকট এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাপের মধ্যে অর্থনীতি নানা ধাক্কা সামলাচ্ছে। এর সঙ্গে নতুন করে মধ্যপ্রাচ্য সংকট যুক্ত হয়েছে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআরআই-এর প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. আশিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি এখন ভঙ্গুর পুনরুদ্ধারের মধ্যে রয়েছে, যেখানে প্রবৃদ্ধি কমে ৩ শতাংশে নেমেছে এবং ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশে পৌঁছেছে।আরও পড়ুন, আইএমএফ নিজ গরজেই বাংলাদেশকে ঋণ দেবে: ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদতিনি আরও বলেন, রাজস্ব ঘাটতি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর নির্ভরতা অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জ্বালানি, রাজস্ব ও ব্যাংক খাতে দ্রুত সংস্কার না হলে বৈশ্বিক চাপের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও ঝুঁকির মুখে পড়বে।

দেশের জ্বালানি মজুত মাত্র ৩ মাস, বড় ঝুঁকির সতর্কতা পিআরআই’র