১৭ সেপ্টেম্বর ফেনী যাচ্ছেন তারেক রহমান, বন্যা নিয়ন্ত্রণসহ উন্নয়নে বড় প্রত্যাশা
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ফেনী সফরে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটাই তার প্রথম ফেনী সফর। তাকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে যেমন উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, তেমনি দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পূরণের আশাও করছেন ফেনীবাসী।প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে ফেনীতে এখন ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় পর্যায়েও চলছে নানা আয়োজন।সফরে পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।আর এই সফরকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের প্রত্যাশার তালিকাও বেশ দীর্ঘ। তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বন্যা ও নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধান।প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনে ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার পর স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি আরও জোরালো হয়েছে।স্থানীয় নেতারা বলছেন, নদীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি নদী খনন, আরও পড়ুন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে এনসিপির ডা. মাহমুদা মিতুপানি নিষ্কাশন এবং সীমান্তের ওপার থেকে আসা পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।এর পাশাপাশি ফেনীতে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবিও দীর্ঘদিনের। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য অবকাঠামোর উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়নও রয়েছে প্রত্যাশার তালিকায়।ফেনীর লালপুলে আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিও নতুন করে সামনে এসেছে। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই স্থানে যানজট ও দুর্ঘটনা কমাতে দ্রুত আন্ডারপাস নির্মাণ প্রয়োজন।ফুলগাজীকে পৌরসভায় উন্নীত করা, খালেদা জিয়া কলেজ সরকারিকরণ, সরকারি স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু এবং একটি ডিজিটাল তথ্যকেন্দ্র স্থাপনের দাবিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরতে চান স্থানীয় নেতারা।ইতোমধ্যে গত ২৫ আগস্ট পরশুরামে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির স্থান পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ফেনী সফর ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার পাশাপাশি রয়েছে ব্যাপক প্রত্যাশা। এখন দেখার বিষয়, ফেনীবাসীর দীর্ঘদিনের এসব দাবি কতটা গুরুত্ব পায় এবং বাস্তবায়নে কী ধরনের ঘোষণা আসে প্রধানমন্ত্রীর সফরে।