প্রিপেইড মিটারে অতিরিক্ত টাকা কেটে নেওয়া, ‘ভূতুড়ে বিল’, ছুটির দিনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং দীর্ঘ টোকেন নম্বর—গ্রাহকদের এমন নানা অভিযোগ ও উদ্বেগের পর জরুরি ব্যাখ্যা দিয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, ডিপিডিসি।সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রিপেইড মিটারে গ্রাহকের অনুমোদিত লোডের ভিত্তিতে প্রতি মাসে একবার ডিমান্ড চার্জ কাটা হয়। দীর্ঘদিন রিচার্জ না করলে পরবর্তী রিচার্জের সময় বকেয়া মাসগুলোর চার্জ একসঙ্গে কেটে নেওয়া হয়।মিটার ভাড়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম। নিজ খরচে মিটার কিনলে কোনো মিটার ভাড়া দিতে হয় না। তবে ডিপিডিসির দেওয়া সিঙ্গেল-ফেজ মিটারের জন্য মাসে ৪০ টাকা এবং থ্রি-ফেজ মিটারের জন্য ২৫০ টাকা ভাড়া প্রযোজ্য।প্রতিবার রিচার্জের সময় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৫ শতাংশ ভ্যাট কেটে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।এদিকে ট্যারিফ পরিবর্তনের পর প্রথম রিচার্জে ২০০ থেকে ২২০ ডিজিটের দীর্ঘ টোকেন পাওয়ার বিষয়টিও ব্যাখ্যা করেছে ডিপিডিসি। সংস্থাটি বলছে, নতুন বিদ্যুতের দর মিটারে সক্রিয় করার কারণেই প্রথম রিচার্জে এই দীর্ঘ টোকেন দেওয়া হয়। আড়ও পড়ুন,২০২৭ সালের জুনের মধ্যে খুলবে শহীদ জিয়া শিশু পার্কপরবর্তী রিচার্জে আবার স্বাভাবিক ২০ ডিজিটের টোকেন পাওয়া যায়।এই জটিলতা কমাতে পর্যায়ক্রমে স্বয়ংক্রিয় মিটারিং অবকাঠামো বা এএমআই প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হচ্ছে।‘ভূতুড়ে বিল’ প্রসঙ্গে ডিপিডিসি বলেছে, প্রিপেইড মিটারে অতিরিক্ত বিল কাটার কোনো কারিগরি সুযোগ নেই। নির্ধারিত ট্যারিফ অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব হয়। তবে কমন নিউট্রাল বা যান্ত্রিক ত্রুটির অভিযোগ থাকলে তা পরীক্ষা করে দেখা হবে।গ্রাহকদের আরও একটি বড় উদ্বেগ—ব্যালেন্স শেষ হলে ছুটির দিনে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া। এ সমস্যা এড়াতে প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনকে ‘ফ্রেন্ডলি আওয়ার’ ঘোষণা করেছে ডিপিডিসি। এ সময়ে ব্যালেন্স শেষ হলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে না। পরবর্তী রিচার্জের সময় ওই বিদ্যুৎ ব্যবহারের অর্থ সমন্বয় করা হবে।বিদ্যুৎ সংক্রান্ত কোনো অসঙ্গতি বা জরুরি প্রয়োজনে আতঙ্কিত না হয়ে গ্রাহকসেবা কেন্দ্র অথবা ডিপিডিসির হটলাইন ১৬১১৬-এ যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।