যুদ্ধের চাপেই ভাঙছে ভিত? ইসরাইলে বিক্ষোভ, দেশ ছাড়ছেন হাজারো নাগরিক”
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নতুন এক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা এবং দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে অভ্যন্তরীণ সংকটে পড়েছে ইসরাইল।২০২৩ সালে হামাস-এর আকস্মিক হামলার পর থেকে টানা সংঘাত পরিস্থিতি ইসরাইলের সমাজ ও অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলছে।বিশেষ করে সাম্প্রতিক ইরান-ইসরাইল উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।এ অবস্থায় রাজধানী তেল আবিব-সহ বিভিন্ন শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে নামছেন সাধারণ ইসরাইলিরা।প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর পদত্যাগসহ যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছেন তারা।বিক্ষোভকারীরা বলছেন—অন্তহীন যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনার পথে ফিরতে হবে।এমনকি সংঘাতকালীন বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেও তারা রাস্তায় নেমে আসছেন।অন্যদিকে অর্থনৈতিক চাপও বাড়ছে দ্রুত।আরো পড়ুন , আইআরজিসি নেতা সোলেমানির পরিবারের সদস্যদের গ্রিন কার্ড বাতিল
জ্বালানি, খাদ্য ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠেছে।
নিরাপত্তার কারণে দীর্ঘ সময় বাঙ্কারে অবস্থান করায় উৎপাদন কমে যাচ্ছে, আয় হ্রাস পাচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিচালনায় বিপুল ব্যয় ইসরাইলের অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে।একইসঙ্গে নিরাপত্তাহীনতা ও অনিশ্চয়তায় দেশ ছাড়ছেন বহু ইসরাইলি নাগরিক।বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় এক লাখ মানুষ দেশত্যাগ করেছেন।অন্যদিকে ইরানের ভেতরে যুদ্ধ পরিস্থিতি সত্ত্বেও প্রতিরোধ মনোভাব আরও জোরালো হচ্ছে।নাগরিকদের অংশগ্রহণে প্রতিরোধ আন্দোলনের চিত্রও সামনে আসছে।সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত শুধু সামরিক লড়াই নয়, বরং সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার এক জটিল চিত্র তুলে ধরছে।