দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে পুলিশ
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। ডিএমপির দাবি, মূল ঘাতক জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন তার স্ত্রী স্বপ্না।মঙ্গলবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এস এন নজরুল ইসলাম।পুলিশ জানায়, রামিসার মা যখন দরজায় নক করছিলেন, তখন ফ্ল্যাটের ভেতরেই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছিল। এ সময় স্বামীকে পালানোর সুযোগ করে দিতে দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ রাখেন স্ত্রী স্বপ্না।পরে জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলে স্বপ্না দরজা খুলে দেন। পুলিশ বলছে,আরও পড়ুন , খুমেক হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন, আইসিইউ থেকে রোগী সরাতে হুড়োহুড়ি তিনি হত্যাকাণ্ডে সহযোগীর ভূমিকা পালন করেছেন।তদন্তে আরও জানা গেছে, শিশুটি বিকৃত যৌনলালসার শিকার হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্যাতনের বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।পরে আলামত গোপন করতে শিশুটির মাথা ও হাত বিচ্ছিন্ন করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।ঘটনার পর স্বপ্নাকে ফ্ল্যাট থেকেই আটক করা হয়। আর পালিয়ে যাওয়া জাকিরকে পরে নারায়ণগঞ্জের একটি বিকাশের দোকান থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং বাথরুম থেকে কাটা মাথা উদ্ধার করা হয়।আরও পড়ুন ,নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলের অভিযোগে ফেনীতে আটক ৩