দেশের আন্ডারওয়ার্ল্ডে দীর্ঘদিন ধরে চলা আধিপত্যের লড়াই ও টার্গেট কিলিংয়ে ফের উত্তাপ বেড়েছে। শীর্ষ সন্ত্রাসীরা দেশের বাইরে ও ভেতরে বসেই চাঁদাবাজি, কন্ট্রাক্ট কিলিং ও এলাকা নিয়ন্ত্রণের জন্য সক্রিয় রয়েছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সূত্র।তাদের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীর পশুর হাট নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজির বাজার ধরতে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপ।গোয়েন্দারা বলছেন, সানজিদুল ইসলাম ইমন, বাড্ডার মেহেদী হাসানসহ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসীর কার্যক্রম নজরদারিতে থাকলেও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই তথ্য নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।আরও পড়ুন , চার অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেতফলে ধারণা করা হচ্ছে, টার্গেট কিলিংয়ের ভয়ে অনেকেই আপসরফা করে নিচ্ছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় এবং বিদেশে অবস্থান করে নিয়ন্ত্রণের কারণে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, নজরদারি দুর্বলতা এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রভাবশালী যোগসাজশের কারণে সন্ত্রাসীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।তবে ডিএমপির ডিবি অতিরিক্ত কমিশনার জানিয়েছেন, যেখানেই অপরাধী থাকুক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তদন্তে নাম আসা সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।আরও পড়ুন , নির্বাচনী জয়ের পর প্রথম সাংগঠনিক মঞ্চে তারেক রহমান, আজ বিএনপির বড় বার্তা
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।