ভাইরাল ষাঁড় ‘মানিক’ কোরবানি হবে এতিম-দুস্থদের জন্য
দীর্ঘ ১০ বছর সন্তানের মতো লালন-পালন করা ৫৬ মণের বিশাল ষাঁড় ‘মানিক’ অবশেষে বিক্রি করতে পেরে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে টাঙ্গাইলের নারী খামারি হামিদা আক্তারের জীবনে। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ভেঙ্গুলার গ্রামের এই খামারি প্রায় এক যুগ ধরে ভালোবাসা ও যত্নে গরুটি বড় করেছেন। তবে কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে তাকে ঋণের চাপেও থাকতে হয়েছে।আরও পড়ুন, পাকুন্দিয়ায় আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, রোগীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা”গত বছর ও এবছরও একাধিক ক্রেতা ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বললেও শেষ পর্যন্ত কেউ গরুটি নিতে আসেননি। পরে ১১ লাখ ২০ হাজার টাকায় গরুটি বিক্রি করতে বাধ্য হন তিনি। পরবর্তীতে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর দানবীর আলাউদ্দিন আহমেদের প্রতিষ্ঠিত Al-Auddin Ahmed Foundation গরুটি ন্যায্যমূল্যে কিনে নেয়।আরও পড়ুন, চলন্ত ট্রেন থেকে ছিটকে ৮ যাত্রী আহতবর্তমানে ‘মানিক’ রাখা হয়েছে কুমারখালীর নন্দলালপুর ইউনিয়নের আলাউদ্দিন নগরের খামারে, যেখানে বিশেষ যত্নে গরুটিকে লালন করা হচ্ছে। ফাউন্ডেশন জানায়, ঈদের তৃতীয় দিনে গরুটি কোরবানি করে এর মাংস এতিম, দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে রান্না করে বিতরণ করা হবে।আরও পড়ুন, ‘আমার নাতনির বয়স মাত্র তিন দিন, এভাবে চলে যাবে ভাবতেই পারিনি’: দাদির কান্নাজড়িত কণ্ঠখামারি হামিদা আক্তার জানান, দীর্ঘ সময় ধরে লালন করা গরুটি বিক্রি করে তিনি কিছু ঋণ শোধ করতে পারছেন এবং এখন মানসিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে তিনি একজন সফল খামারি হয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান।