গাজীপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের কারিগরি খাদ্য পরিদর্শক সোহেল আহামেদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সাংবাদিকদের আর্থিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া না গেলে এগুলোকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। অভিযোগ রয়েছে, প্রতি ঈদকে কেন্দ্র করে গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রায় ১০০ থেকে ২০০ জন সাংবাদিককে তিনি অর্থ দিয়ে থাকেন। শুধু ঈদ উপলক্ষেই নয়, কিছু সাংবাদিককে মাসিক ভিত্তিতেও আর্থিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অর্থ লেনদেনের পরিমাণ, উৎস, উদ্দেশ্য এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন। সাংবাদিকদের অর্থ দেওয়ার অভিযোগ,
আরও পড়ুন,সাইবার ট্রাফিকিংয়ের ঝুঁকি মোকাবিলা, মানব পাচার রোধে সাতক্ষীরায় বিশেষ প্রশিক্ষণ
উঠছে নানা প্রশ্ন সরকারি দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নিয়মিত কিংবা বিশেষ উপলক্ষে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠলে তা স্বাভাবিকভাবেই জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রশ্নের জন্ম দেয়। অভিযোগের সত্যতা থাকলে অর্থের উৎস কী, কী উদ্দেশ্যে এ অর্থ দেওয়া হয় এবং এর সঙ্গে সরকারি দায়িত্ব পালনের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না এসব বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত করার আগে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া জরুরি। সংবাদ প্রকাশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এদিকে, একটি সূত্রের দাবি, সোহেল আহামেদের বিরুদ্ধে অনিয়ম বা দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা ঠেকাতে তাঁর ঘনিষ্ঠ এক সাংবাদিক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই ব্যক্তি বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেন। তবে এ দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় ও তাঁর বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। তদন্তের দাবি সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলো সত্য কি না, তা নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠতে পারে। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে সোহেল আহামেদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্যাখ্যা এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরা জরুরি। জনস্বার্থে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছ ব্যাখ্যা এবং নিরপেক্ষ অনুসন্ধান প্রত্যাশিত।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের কারিগরি খাদ্য পরিদর্শক সোহেল আহামেদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সাংবাদিকদের আর্থিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া না গেলে এগুলোকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। অভিযোগ রয়েছে, প্রতি ঈদকে কেন্দ্র করে গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রায় ১০০ থেকে ২০০ জন সাংবাদিককে তিনি অর্থ দিয়ে থাকেন। শুধু ঈদ উপলক্ষেই নয়, কিছু সাংবাদিককে মাসিক ভিত্তিতেও আর্থিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অর্থ লেনদেনের পরিমাণ, উৎস, উদ্দেশ্য এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন। সাংবাদিকদের অর্থ দেওয়ার অভিযোগ,
আরও পড়ুন,সাইবার ট্রাফিকিংয়ের ঝুঁকি মোকাবিলা, মানব পাচার রোধে সাতক্ষীরায় বিশেষ প্রশিক্ষণ
উঠছে নানা প্রশ্ন সরকারি দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নিয়মিত কিংবা বিশেষ উপলক্ষে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠলে তা স্বাভাবিকভাবেই জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রশ্নের জন্ম দেয়। অভিযোগের সত্যতা থাকলে অর্থের উৎস কী, কী উদ্দেশ্যে এ অর্থ দেওয়া হয় এবং এর সঙ্গে সরকারি দায়িত্ব পালনের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না এসব বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত করার আগে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া জরুরি। সংবাদ প্রকাশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এদিকে, একটি সূত্রের দাবি, সোহেল আহামেদের বিরুদ্ধে অনিয়ম বা দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা ঠেকাতে তাঁর ঘনিষ্ঠ এক সাংবাদিক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই ব্যক্তি বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেন। তবে এ দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় ও তাঁর বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। তদন্তের দাবি সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলো সত্য কি না, তা নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠতে পারে। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে সোহেল আহামেদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্যাখ্যা এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরা জরুরি। জনস্বার্থে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছ ব্যাখ্যা এবং নিরপেক্ষ অনুসন্ধান প্রত্যাশিত।

আপনার মতামত লিখুন